মেইন ম্যেনু

‘অংক না পারায়’ ছাত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে

বরগুনায় এক কোচিং সেন্টারে ‘অংক না পারায়’ তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে বেত দিয়ে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার জেলা শহরের বিজয় ‘বৃত্তি কোচিং সেন্টারে’ এ ঘটনা ঘটে বলে বরগুনা থানার ওসি রিয়াজ হোসেন জানান।

ইসরাত জাহান মালিহা নামের ৯ বছর বয়সী মেয়েটি বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সে শহরের ক্যালিক্স একাডেমীর তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ‘বৃত্তি’ কোচিং সেন্টারে সে ‘প্রাইভেট’ পড়তে যেত।

যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বাদল রোডপাড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এর পাশাপাশি তিনি ওই কোচিং সেন্টার চালান। ঘটনার পর থেকে পুলিশ তাকে খুঁজছে।

শিশুটির বাবা জামাল সিকদার বলেন, “শিক্ষক বাদল বৃহস্পতিবার কোচিং ক্লাসে মালিহাকে অংক করতে দেয়। তা না পারায় আমার মেয়েকে সে পশুর মতো পিটিয়েছে।”

খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করেন জামাল।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুক্রবার সকালে মালিহা বলে, সহপাঠী এশা, মৌনতা, মৌরী, রাইসা ও বুশরার সামনেই তাকে পিটিয়েছেন ‘স্যার’।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কামরুল ইসলাম জানান, মালিহার পা থেকে মাথা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পিটুনির কালসিটে দাগ রয়েছে।

“সেরে উঠতে একটু সময় লাগবে,” বলেন তিনি।

ওসি রিয়াজ হোসেন জানান, ঘটনার পর মালিহার বাবা রাতেই থানায় মামলা করেন। এরপর বাদলকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার বিজয় বসাক শুক্রবার হাসপাতালে গিয়ে মালিহা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

শিক্ষক বাদলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা বিভাগ ও সদর ইউএনওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা।






মন্তব্য চালু নেই