মেইন ম্যেনু

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্মাণে নেতৃত্ব দেবে চীন

প্রযুক্তি নির্মাণে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। আধুনিক কারখানা যেমন, সেমি কন্ডাক্টর এবং পরবর্তী প্রজন্মের চীপ উপকরণ, রোবোটিক্স, বিমান সরঞ্জাম এবং স্যাটেলাইট তৈরিতে চীন সরকার ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত উন্নয়নের একটি নকশা তৈরি করেছে।

শনিবার বেইজিংয়ে নতুন খসড়া উম্মুক্ত করা হয়েছে। চীনের এবারের লক্ষ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করা এবং দেশকে একটি সাইবার শক্তির দেশে পরিণত করা। ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চীনের জিডিপি ছিল ২.১ শতাংশ। এবার দেশের উৎপাদন ব্যয় এবং খরচের আর অ্যান্ড ডি ২.৫ শতাংশে বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করেছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং সংসদে বার্ষিক পূর্ণ অধিবেশনের শুরুতে বলেন, ‘নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন দেশের উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে।’

চীন তাদের টেকনোলজি সেক্টরকে আরও উন্নত করতে এবং তথ্য প্রযুক্তিতে তথ্যের পাহাড় সৃষ্টি করার এবং ঐতিহ্যগত এলাকায় অর্থনীতিকে আরও সচল করার পরিকল্পনা নিয়েছে। নতুন এই নীতির নাম দিয়েছে ‘ইন্টারনেট প্লাস’। সরকার, স্বাস্থ্য সেবা এবং শিক্ষার জন্যও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

যেহেতু চীনাদের ব্যবসা এবং সমাজে প্রযুক্তির ব্যবহার খুব বেশি তাই সরকারের সুনজর থাকবে এই সেক্টরে। চীন নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি রিভিউ সিস্টেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসে প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং। তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইন্টারনেটে চীনের রাজত্ব বেড়েছে। জনমত নিয়ন্ত্রণ এবং অ্যান্টি কমিউনিস্ট পার্টির অনুভূতি নির্মূলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডোমেইন চালু করেছে। এই ডোমেইনটি ‘পরিপূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং নীতি’ হিসেবে গণ্য হবে।






মন্তব্য চালু নেই