মেইন ম্যেনু

অনন্ত জলিল খুঁজছেন ২৫ নতুন মুখ

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল বরাবরই নতুনত্ব উপহার দিয়ে জয় করে নিয়েছেন প্রতিটি মানুষের মন। সম্প্রতি অনন্ত জলিল নতুন মুখের সন্ধানে ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ নামক একটি কার্যক্রম শুরু করেছেন।
ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৫টি ক্যাটাগরিতে (নায়ক, নায়িকা, শিশু-ছেলে, শিশু-মেয়ে, ভাই, ভাবি/বোন, বাবা, মা, দাদা-দাদি/নানা-নানি, কমেডিয়ান, খলনায়ক, খলনায়িকা, আইটেম সং পারফর্মার ও সহ-নায়িকা) মোট ২৫ জন নতুন মুখ নির্বাচিত করা হবে যারা অনন্ত জলিলের ফিল্ম প্রোডাকশন হাউজ মনসুন ফিল্মসের আপকামিং চলচ্চিত্র ‘দ্যা স্পাই- অগ্রযাত্রার মহানায়কে’ চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল ও চিত্রনায়িকা বর্ষার সাথে অভিনয় করার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।
ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রমের অংশ হিসাবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত ২০ মে, ২০১৫ ইং তারিখ থেকে এবং রেজিস্ট্রেশন চলবে আগামী ৫ জুলাই, ২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত।

রেজস্ট্রেশনের নিয়মাবলী হলো মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে START স্পেস TH স্পেস NAME স্পেস AGE স্পেস M/F স্পেস DIVISION লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে অথবা ডায়াল করতে হবে ২৮৭৭৭০১ নম্বরে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ২৫ জুলাই, ২০১৫ ইং তারিখ থেকে ২৫ আগস্ট, ২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত অডিশন রাউন্ড সম্পন্ন হবে। অডিশন রাউন্ড থেকে ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামটি পর্ব আকারে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলাতে সম্পচারিত হবে।

এ ব্যাপারে এটিএন বাংলা এবং মনসুন ফিল্মস উভয় পক্ষই নীতিগত সম্মতি প্রদান করেছে। ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের টেলিকম পার্টনার রবি আজিয়াটা লিমিটেড, টেকনিক্যাল পার্টনার লাইভ টেকনোলজিস লিমিটেড, মার্কেটিং পার্টনার সিন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম নিয়ে অনন্ত জলিল বলেন, আমার সবসময়ের চেষ্টা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য কিছু করার। সেই প্রত্যাশায় আমি ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের কার্যক্রম শুরু করি। এই ট্যালেন্ট হান্ট মূলত আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য নতুন কিছু প্রতিভাকে তুলে নিয়ে আসা আর বিজয়ীরা সুযোগ পাবেন আমার আপকামিং চলচ্চিত্রে আমার এবং বর্ষার সাথে অভিনয় করার সুযোগ।

উল্লেখ্য যে, ট্যালেন্ট হান্ট থেকে নির্বাচিতরা নির্বাচিত হওয়ার পরপরই সুযোগ পেলে যে কোনও প্রোডাকশন হাউজের সাথেও কাজ করতে পারবে। এক্ষেত্রে মনসুন ফিল্মসের কোনও বাধ্য-বাধকতা নেই।
অনন্ত জলিল জানান, ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের রেজিস্ট্রেশনে আমরা অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছি। আসলে আমাদের দেশে অনেক প্রতিভা আছে, কিন্তু সুযোগের অভাবে তারা তাদের প্রতিভাকে তুলে ধরতে পারছেন না।
আমি আশা করব, আমার এই ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামটি সেইসব যোগ্য প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করবে এবং এখান থেকে বিজয়ীরা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য সুফল বয়ে আনতে সক্ষম হবে।






মন্তব্য চালু নেই