মেইন ম্যেনু

অনলাইন লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে ভার্চুয়াল কার্ড

ব্যক্তিগত পর্যায়ে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রামারদের অনলাইন লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশে চালু হলো ভার্চুয়াল কার্ড। এর মাধ্যমে অনলাইনে যে কোনো ধরনের কেনাকাটায় বছরে সর্বোচ্চ ৩শ’ ডলার পর্যন্ত পরিশোধ করা যাবে।

দেশে যারা ব্যক্তিগতভাবে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আয় করতে চান তাদের আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ডলারে অর্থ পরিশোধ করতে হয়। আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড না থাকায় নতুন আইটি পেশাজীবীরা এতোদিন শুধু রেজিস্ট্রেশনের অভাবে তাদের স্বপ্নের জগতে যাত্রা শুরু করতে পারতেন না।

অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে বেসিসের চেষ্টায় শুরু হলো ব্যাংকের মাধ্যমে ভার্চুয়াল কার্ড।

বেসিসের সভাপতি শামিম আহসান জানান, বিভিন্ন ধরণের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন অনলাইন বাজারে ছাড়ার জন্য বিশ্বখ্যাত অ্যাপস্টোরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থের বিনিময়ে নিবন্ধন করতে হয়। এছাড়াও অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কোর্স, বুটক্যাম্প কিংবা ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমের প্রয়োজন হয়।

একটি পিনকোডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ দিয়ে যে কেউ সফটওয়্যার নির্মাণ, অনলাইন গেমস ডেভেলপমেন্ট, ডোমেইন হোস্টিংসহ অনলাইনে যে কোনো ধরনের সেবা নিতে পারবেন।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ বলেন, ‘শিক্ষাখাতে বিভিন্ন ধরণের চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এই ভার্চুয়াল কার্ড স্কিম আমরা হাতে নেই। কারণ এদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক, মবার জন্য ক্রেডিট কার্ড পাওয়া সহজ না হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনায় বিভিন্ন ধরণের ফি দেয়ায় বেশ অসুবিধা ও জটিলতার সৃষ্টি হয়।’

এই ভার্চুয়াল কার্ড মাস্টার বা ভিসা কার্ডের মতো ব্যবহার করা যাবে। এ কার্ড করার জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংকে কোনো অ্যাকাউন্ট করতে হবে না।

বেসিসের আশা, ডাচ বাংলা ব্যাংকের মতো অন্যান্য ব্যাংকও দ্রুত এ সেবা চালু করবে। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনলাইন লেনদেনে যে ভোগান্তি ছিলো তার দূর হয়ে যাবে এবং তরুণরা নিজেদের মানোন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পেশায় আরো আগ্রহী হবে বলেও প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠানটির।






মন্তব্য চালু নেই