মেইন ম্যেনু

অনিবন্ধিত সিমগুলোর কী হবে?

৩১ মে’র মধ্যে যেসব সিম পুননিবন্ধন হয়নি সেগুলোর বিষয়ে কী করা হবে তা নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যেখানে গত রোববার পর্যন্ত ৩ কোটি ৩০ লাখ সিম অনিবন্ধিত ছিল। আর পুনঃনিবন্ধিত হয়েছে ১০ কোটি ৯ লাখের কিছু বেশি।

মূলত গত রোববার সচিবালয়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের বক্তব্যই এই ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। মন্ত্রী বলেছিলেন, ১ জুন থেকে অনিবন্ধিত সিমগুলো দুই মাস পর্যন্ত পুনঃনিবন্ধনের সুযোগ থাকবে। প্রবাসীরা পাবেন ১৮ মাস সময়।

তবে বিটিআরসির একটি সূত্র বলছে, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ১ জুন থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত সিম পুনঃনিবন্ধন করা যাবে। তবে গ্রাহককে আগের সিমটিই নতুন করে কেনার সমপরিমাণ ফি গুণতে হবে। সেক্ষেত্রে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা খরচ হবে।

বিটিআরসির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, চলতি মে মাসের শুরুর দিকে ৩১ মের পর অনিবন্ধিত সিমকার্ড দু’মাসের জন্য বন্ধ রাখতে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেন। পরে সময়ে বিষয়টি নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গেও আলাপ হয়।

সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাধারণ বিবেচনায় দু’মাসের জন্য কোনো সিমকার্ড বন্ধ থাকলে দু’মাস পর সংশ্লিষ্ট গ্রাহক আর তা নতুন করে ব্যবহারে উৎসাহী হবেন না। এক্ষেত্রে গ্রাহককে অন্য কোনো উপায়ে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি আলোচনায় আসে। তখন ৩১ মে রাতের জিরো আওয়ার থেকে অনিবন্ধিত সব সিমকার্ড বন্ধ এবং নতুন করে সিমকার্ড চালু করতে হলে গ্রাহককে নতুন সিমকার্ডের সমপরিমাণ বিক্রয়মূল্য এবং কর পরিশোধের ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে প্রস্তাব ওঠে।

বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম নিজেও এতে সম্মত হোন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও নেয়া হয়।

কিন্তু এরপর গত রোববার ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী টানা দু’মাস সিমকার্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানালে এ নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এ কারণে বিষয়টি গতকাল সোমবার আবারও পর্যালোচনা করা হয়।

সূত্র জানায়, সার্বিক পর্যালোচনার পর টানা দু’মাস সিমকার্ড বন্ধ থাকার ব্যাপারে বিটিআরসি থেকে কোনো নির্দেশনা না পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রাহককে অনিবন্ধিত সিমকার্ড চালু করতে নতুন করে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, ১৮ মাসের মধ্যে নিবন্ধনের মাধ্যমে সিমকার্ড চালু না করা হলে গ্রাহক তার মালিকানা হারাবেন। এক্ষেত্রেও সে নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

সেক্ষেত্রে ১ জুন থেকে ৪৫০ দিন পর অপারেটর একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংযোগটি পুনরায় বিক্রি করার ঘোষণা দেবে। এই ঘোষণার তিন মাসের মধ্যে গ্রাহক বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করে সিমটি চালু করে নিতে পারবেন। তবে এ সময় চালু করতে হলে নতুন সিমের মতোই ফি দিতে হবে। খরচ পড়বে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।






মন্তব্য চালু নেই