মেইন ম্যেনু

অনেক রোগের কারণ নিদ্রাহীনতা

আশেপাশের সবাই ঘুমিয়ে, হাতের কাজও সব শেষ। সারাদিনের ব্যস্ততা সেরে এখন ঘুমানোর পালা। অথচ সে নিয়মের ব্যত্তয় ঘটিয়ে বসে নিদ্রাহীনতা। বিছানায় এপাশ ওপাশ করেও ঘুম আসছে না। কম বেশি অনেকেই এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। তবে কারো কারো নিদ্রাহীনতার সমস্যা মারাত্মক। ‘স্লিপ’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানো মানুষদের এক-চতুর্থাংশ কার্ডিওভাসকুলার সমস্যায় ভোগেন। তাদের ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধা, দুর্বলতা অনুভব, দুর্বল হার্টবিটসহ নানা সমস্যা হতে পারে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকরা বলছেন, ঘুমের এমন সমস্যা শরীরে আরও অনেক ধরনের রোগ টেনে আনতে পারে। যেমন-

মাদকতা

একটানা ২৪ ঘণ্টা নির্ঘুম কাটালে মস্তিষ্কের কগনিটিভ মোটরের অবস্থা মাদকাসক্তের আচরণ করে। মানুষটির আচরণ দেখলে মনে হয় সে কোনো অ্যালকোহল নিয়েছেন। টানা তিন দিন ধরে ১৯ ঘণ্টা করে জেগে থাকলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মরে যাওয়া শুরু করে। এতে সাধারণ কাজের গতি বাধাগ্রস্থ হয়, শরীরে অবসাদ আনে। কোনো কিছুতে মনোযোগ আসে না।

ফ্যাট বাড়িয়ে দেয়

ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, যারা দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের পাকস্থলীতে লেপটিন হরমোনের পরিমাণ ১৫.৫ শতাংশ কমে যায়। এটি আপনাকে ভরপেট খাবারের অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাট বাড়িয়ে দেয়।

কোমরের সমস্যা

গবেষণায় পাওয়া গেছে, যারা রাতে মাত্র ৫ ঘণ্টা ঘুমান তাদের মাঝে স্থূলতা দেখা দেয় বেশি। বিশেষ করে কোমরে চর্বি জমে যায়। কোমরে ব্যথা, হাটাচলায় কষ্ট হওয়া এবং পেটে চর্বি জমে গিয়ে মোটা হতে সাহায্য করে।

উচ্চরক্তচাপ

যারা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান তাদের সিসটোলিক বিপি ১৩২-এ উঠে যায়। অথচ যার স্বাভাবিক মাপ ১২০ এর কম। সঠিক ঘুমের অভাবে কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়, যাকে স্ট্রেস হরমোন বলা হয়।

ডায়াবেটিস

রাতে গড়ে ৬ ঘণ্টা ঘুমের কারণে পুরুষদের ডায়াবেটিস দেখা দেয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। ইয়েল ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই