মেইন ম্যেনু

অন্তর্বাস পরার আগে যে ৬টি বিষয়ে খেয়াল না রাখলে হতে পারে এই ভয়াবহ বিপদ…

পুরুষ অথবা নারী সকলেরই পোশাকের নীচে, শরীরের সব থেকে কাছাকাছি থাকা অন্তর্বাসের উপরে অনেকটাই নির্ভর করে সুস্থতা। আর অন্তর্বাস পরার ক্ষেত্রে নানা ভুলের কারণে বিভিন্নভাবে অসুস্থতা বাড়ে। দেখে নিন কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত—

১। অনেকেই আঁটোসাঁটো অন্তর্বাস পরেন। কিন্তু এটা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, এর ফলে ঘষা লেগে লেগে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষতিও হতে পারে।

২। অনেকেই নিজেকে রোগা দেখানোর জন্য অন্তর্বাস বাছেন। ভুঁড়ি বা মেদবহুল নিতম্ব ঢাকার জন্য পরেন এমন অন্তর্বাস, যা শরীরকে স্লিম দেখাতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরে স্বাভাবিক রক্ত-চলাচল বাধা পায়। স্নায়ুর ক্ষতিও হতে পারে।

৩। সিনথেটিক এবং সিল্কের অন্তর্বাস পরা তো মারাত্মক ক্ষতিকারক। একান্তই পরলে খেয়াল রাখা দরকার, যে অংশটি যৌনাঙ্গের সংস্পর্শে থাকবে সেটি যেন অবশ্যই সুতির হয়। সিল্ক এবং সিনথেটিকের ভিতরে বাতাস চলাচল করতে পারে না। ফলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের ভয় থাকে।

৪। তাড়াতাড়ি অন্তর্বাস পরার আগে অনেকেই সেটি ভাল করে লক্ষ্য করেন না। অনেক সময়ে খুব ছোট পোকা থেকে যায়। যা মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। কামড়ের ভয় ছাড়াও স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

৫। অন্তর্বাস পরে ঘুমানোর পিছনে কোনোও যুক্তিই নেই তবু অনেকেই সেটা করে থাকেন। সারাদিন অন্তর্বাস পরে থাকার পরে রাতের সময়টুকু বাদ দেওয়াই ভাল। এর ফলে শরীরের ঢেকে রাখা অংশে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। বাতাস লাগার কারণে ইনফেকশনের সম্ভাবনা কমে।

৬। ঘর্মাক্ত অন্তর্বাস পরা মারাত্মক ক্ষতিকর। যেহেতু ত্বকের সংস্পর্শে থাকে অন্তর্বাস সেহেতু এটি সহজে ঘেমে যাবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঘেমে ভিজে থাকা অন্তর্বাস বেশিক্ষণ পরে থাকা উচিৎ নয়। দিনের মধ্যে অন্তত একবার অন্তর্বাস পরিবর্তন করা উচিৎ। আর যাঁরা খুব বেশি ঘেমে যান, তাঁদের সম্ভব হলে দু’বার পরিবর্তন করা ভাল।






মন্তব্য চালু নেই