মেইন ম্যেনু

অন্ধ এক জিমন্যাস্টের গল্প

পৃথিবীর ঝুকিপূর্ণ খেলাগুলোর মধ্যে জিমন্যাস্টিক অন্যতম। খেলাটি দেখতে যতটা বিনোদনের, এটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য ততটাই বিপদজনক। প্রতিযোগীদের শারীরিক কসরতের সময় খেয়াল রাখতে হয় তার আশপাশে কি আছে।

কিন্তু ১৩ বছর বয়সী জিমন্যাস্ট লোলা ওয়াল্টার এর জন্য এ সুযোগ নেই। তার এক ফিট সামনে কি আছে তাও হয়তো সে বলতে পারবে না।
কারণ ওয়াশিংটনে বাস করা এই জিমন্যাস্ট মূলত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। নিস্টাগামাস নামক এক রোগে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারান তিনি।

ডেইলি মেইল রিপোর্টকে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে ওয়াল্টার জানান, ‘আমি জানিও না আমি যাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছি তারা আমার থেকে আলাদা কিনা। তবে আমি জানি তারা যা করতে পারেন, আমিও সেটা পারবো।’

চলতি বছরের প্রথমদিকে আমেরিকান জিমন্যাস্টিক একাডেমি’র লং বিচ ওপেন প্রতিযোগিতায় নিজের শারীরিক কসরত দেখিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেন ওয়াল্টার।

লোলা’র মা বেথ জানান, তিন বছর বয়স থেকেই তার মেয়ে একজন জিমন্যাস্ট। তখন থেকেই সে খুব সহজেই উপরে বেয়ে উঠতে পারতো। সে জিমন্যাস্টিকে পুরোপুরি জড়িয়ে পরার পরই তিনি বুঝতে পারেন যে তার মেয়ের দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা রয়েছে।

কিং ফাইভকে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে ওয়াল্টার বলেন, ‘আমি জানি না একজন ভালো জিমন্যাস্ট হওয়ার ক্ষেত্রে ভালো দৃষ্টিশক্তি অপরিহার্য কিনা, আমি তো কোনো পার্থক্য দেখিনা।

এবিসি রিপোর্ট জানায়, লোলা’র এই অক্ষমতার জন্য তাকে প্রায়ই পড়ে যেতে হয়, কিন্তু সে সঙ্গে সঙ্গেই উঠে পরে এবং আরো বেশি চেষ্টা করেন।

লোলা’র কোচ জ্যাকি ক্রুকার জানান, অন্য সব জিমন্যাস্টদের চেয়ে লোলা অনেক বেশি চেষ্টা করে। সে যতবারই পড়ে যাক না কেন, দ্বিগুণ উদ্যমে আবারো ফিরে আসে।






মন্তব্য চালু নেই