মেইন ম্যেনু

অপ্রিয় এক সত্য : রাজি হলেন না মা, অবশেষে কিডনি দিলেন শাশুড়ি!

গৃহবধূর দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। একটি কিডনি হলেই তিন বেঁচে যান। কিন্তু মা তা মেয়েকে বাঁচাতে তার একটি কিডনি দিতে রাজি হলেন না। অবিশ্বাস্য হলেও এগিয়ে এলেন শাশুড়ি!

ভারতের পশ্চিম দিল্লির উত্তম নগরের ঘটনা এটি। ওই এলাকার ৩৬ বছর বয়সী গৃহবধূ কবিতা। দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কবিতার মা নিজের একটি কিডনি মেয়েকে দেবেন। এমন কথাই ছিল। সে মতে, সব প্রস্তুতিও প্রায় চূড়ান্ত। কিন্তু, আচমকা তিনি বেঁকে বসলেন।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে এগিয়ে এলেন কবিতার শাশুড়ি। ৬৫ বছর বয়সী বিমলার কিডনিতেই নতুন জীবন পান কবিতা।

যে হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচার করা হয়, সেই বিএলকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের প্রধান সুনীল প্রকাশ ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা কোনও রিল লাইফ স্টোরি নয়, এটা একেবারে বাস্তব। এমন ঘটনা বাস্তব জীবনে সত্যিই খুব বিরল।’

প্রকাশ জানান, সফল অস্ত্রোপচারের পর কবিতা এবং বিমলা দুজনই এখন সুস্থ আছেন। তিনি আরো যোগ করেন, বর্তমান যুগে যেখানে বউ-শাশুড়ি সম্পর্ক নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর প্রায়ই শুনা যায়, টিভি সিরিয়ালগুলোতেও দেখানো হয়। কিন্তু এই ঘটনা সেই সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।






মন্তব্য চালু নেই