মেইন ম্যেনু

অফার দিয়েও যাত্রী পাচ্ছে না নভোএয়ারের ঢাকা-ইয়াঙ্গুন রুট

ঢাকা-ইয়াঙ্গুন-রুটে লোকসান এড়াতে একের পর এক ভিন্নধর্মী সব অফার দিচ্ছে নভোএয়ার। এরই মধ্যে সর্বনিম্ন ভাড়া এবং ছয় মাসের কিস্তিতে টিকিট কেনার সুযোগও দেয়া হয়েছে গ্রাহকদের। কিন্তু কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না, যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে না। যে কারণে লোকসানের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া ঢাকা-ইয়াঙ্গুন-রুটে ফ্লাইট চলাচল যে কোন সময় বন্ধ করে দিতে পারে এয়ারলাইন্সটি।

এভিয়েশন বাণিজ্যে অনভিজ্ঞতা এবং অপরিকল্পিত রুট বিন্যাসের ফলে বাণিজ্য সম্ভাবনাময় এই রুটটিকে অলাভজনক করে তোলা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা ।

এ বিষয়ে এভিয়েশন গবেষক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, এয়ারলাইন্স একটি লাভজনক ব্যবসা। তবে, না বুঝে নতুন নতুন রুট চালু করে অনেক এয়ালাইন্সই লোকসানে ডুবছে। কোন দূরত্বের রুটে কোন ধরনের এয়ারক্রাফট সাশ্রয়ী তা না বুঝে ফ্লাইট পরিচালনা করলে অলাভজনক তো হবেই। নতুন রুট চালুর বিষয়ে কোন প্রকার সার্ভে ছাড়া ফ্লাইট পরিচালনা করলে লোকসান হওয়াটাই স্বাভাবিক।

জানা গেছে, সর্বনিন্ম ৩ হাজার ৭১১ টাকা মাসিক কিস্তিতে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন ভ্রমণের বিশেষ অফার দিয়েছে নভোএয়ার। যাত্রীদের ইয়াঙ্গুন ভ্রমণের এই সুবিধা দিতে বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করে প্রতিষ্ঠানটি। এগুলো হচ্ছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ট চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড ও মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড ।

চুক্তি অনুযায়ী, এই আটটি ব্যাংকের গ্রাহকরা বিনা সুদে ৬ মাসের সহজ কিস্তিতে টিকেট কিনতে পারবেন। এছাড়াও মিয়ানমার ভ্রমণের জন্য প্যাকেজ ও ভিসা সুবিধাও দিচ্ছে নভোএয়ার। এতেও কাজ হচ্ছে না। তবে লোকসান দিয়ে হলেও রুট চালু রাখার কথা জানিয়েছেন নভোএয়ারের হেড অব মার্কেটিং সোহায়েল মজিদ।

তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিছুতেই হাল ছাড়বো না। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে যাতে করে গ্রাহকদের আরো কমে টিকিট কেনার সুযোগ দেওয়া যায়।






মন্তব্য চালু নেই