মেইন ম্যেনু

অফিসে বসে সবচেয়ে বেশি পর্নোগ্রাফি দেখেন চীনারা !

চীনারা কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি পর্নোগ্রাফি দেখে থাকেন -সাম্প্রতিককালের এক গবেষণা পত্রে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাপী এই গবেষণাটি করেছে এন্টারপ্রাইজ সিকিউরিটি বাজারজাতকরণের হোতা ব্লু কোট সিস্টেমস।

জরিপের অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে ১৮+ ওয়েব সাইট দেখার তালিকায় শতকরা ১৯ ভাগ নিয়ে চায়না শীর্ষে অবস্থান করছে। শতকরা ১০ ও ৯ ভাগ নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে মেক্সিকো ও যুক্তরাজ্য।

মুক্তধর্মী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যানসন বোর্ন ফর ব্লু কোট সার্বজনীনভাবে ১১টি দেশের প্রায় ১৫৮০ জন কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে, কর্মচারীরা কোম্পানির ঝুঁকির কথা জেনেও অফিসে পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করেন।

ব্লু কোট সিস্টেমস’র প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিউজ থম্পসন বলেন, “বেশিরভাগ কর্মচারী সাইবার নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি সম্বন্ধে সচেতন থাকলেও বাস্তবে অনেকেই এই ঝুঁকি নেন।”

ইন্টারনেটে ম্যালওয়্যার ও দুষিত কনটেন্ট লুকিয়ে রাখার জন্য পর্নোগ্রাফি জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি।

ব্লু কোট সিস্টেম এক বিবৃতিতে বলে, “১৮+ সাইটগুলোর সম্ভাব্য হুমকি সম্বন্ধে গণসচেতনতা থাকলেও কর্মচারীরা প্রতিনিয়তই এসব বিপজ্জনক সাইটগুলোতে ঢোকেন।”

সিঙ্গাপুরের ৩৭ শতাংশ কর্মচারী বলেছেন তারা আইটি বিভাগের অনুমতি ছাড়াই অনেক নতুন নতুন সাইটে ঢোকেন। যুক্তরাজ্যে এ হার শতকরা ৩৩ ভাগ, ভারত ও মেক্সিকোতে এর হার শতকরা ৩০ শতাংশ।

অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সে এর হার সবচেয়ে কম যথাক্রমে ১৪ ও ১৬ শতাংশ।

প্রতি পাঁচজনে দুই জন কর্মচারী (৪১%) কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রয়োজেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করেন।

জরিপটিতে বলা হয়, “ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুতর ঝুঁকি। কারণ, সাইবার সন্ত্রাসীরা ছোট ছোট লিঙ্কের মাধ্যমে ম্যালওয়ার ও ভাইরাস ছড়িয়ে পে লোডগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে।”

গবেষকের মতে, “এই ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে কোম্পানির সংবেদনশীল ও ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই চুরি ও তৎক্ষনাত অন্য কারো কর্তৃক ব্যবহৃত হতে পারে। অথবা কেউ সেটিকে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। আবার অসাধু ব্যবসায়ীরা তা কালো বাজারে বিক্রিও করে দিতে পারে যেখানে কর্পোরেট ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য হয়।”

তবে গবেষক প্রস্তাব করেন, “কর্মচারীদের এসব থেকে দূরে রাখাটা কোন বাস্তবসম্মত প্রতিরোধ নয়। সুতরাং ব্যবসা ক্ষেত্রকে প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতাকে সমর্থণ করেই নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি প্রশমনের পথ খুঁজে বের করতে হবে। ”






মন্তব্য চালু নেই