মেইন ম্যেনু

অবশেষে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় থানায় মামলা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানাজানির এক সপ্তাহ পর অবশেষে থানায় মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলা নম্বর ১৩।

মতিঝিল থানার ওসি জানান. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ সহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধায়ায় মামলাটি গ্রহণ করা হয়। তিনি জানান, লোপাট যাওয়া অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১০১ মিলিয়ন ডলার।

এর আগে থানা সূত্রে জানা যায়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ফোন করে জানিয়েছে তারা মামলা করার জন্য থানায় আসতে চেয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফোন করে জানিয়েছে তারা একটি মামলা করার জন্য থানায় আসতে চান। জবাবে তাদের আসতে বলা হয়েছে। এখন তারা এলে মামলার কাজ শুরু করা হবে।

তবে থানার একজন এসআই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, মামলার প্রস্তুতির কাজ চলছে। কয়েকজন কর্মকর্তাও থানায় এসে বসে আছেন। সবাই অপেক্ষা করছেন মামলার জন্য।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা জালিয়াতির ঘটনায় সোমবার প্রাক্তন গভর্ণর ড. ফরাস উদ্দিনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আরো দুজন অর্থনীতিবিদকে সদস্য রাখা হয়েছে। এই কমিটি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন আকারে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা জালিয়াতির ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান পদত্যাগ করেন। তার আগে তিনি গতকাল বিকেলে ভারত থেকে দেশে ফেরেন। গতকালই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে তার পদত্যাগের খবর। অর্থমন্ত্রী গতকাল সচিবালয়ে ইঙ্গিত দেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।

সম্প্রতি নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮০০ কোটি টাকা চুরি হয়। পরে জানা যায়, এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরবিসি ব্যাংকের একটি শাখার পাঁচটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছে।

এ অর্থ পরে ফিলিপাইনের তিনটি ক্যাসিনো হয়ে হংকং চলে যায় বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সারাদেশে তোলাপাড় শুরু হয়।






মন্তব্য চালু নেই