মেইন ম্যেনু

অবাক হলেও এটাই সত্যি, হাঁটতে হাঁটতে সাইকেল চালানো যাবে!

স্বল্প দূরত্বের চলাফেরায় সাইকেল চালানোরই পরামর্শ দিচ্ছেন পরিবেশবিদরা। বহু দেশে তো সাইকেল-বে বলে রাস্তাও আছে। আমাদের দেশেও সাইকেলের ইতিহাস বহু পুরনো। কিন্তু, এক ডাচ এমন এক সাইকেল আবিষ্কার করেছেন যা দেখলে আপনি শুধু খুশি হবেন না, চমকে উঠবেন। এমন সাইকেল কোনও দিন দেখেছেন? হাঁটতে হাঁটতে সাইকেল চালানো! এমনটা আবার হয় নাকি? অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। নেদারল্যান্ডসের ব্রুইন বার্গমিস্টার এমন এক সাইকেল আবিষ্কার করেছেন, যার উপরে হাঁটতেও পারবেন আর সেই সাইকেল চলতেও থাকবে। হাঁটার স্পিড যত বাড়বে ততই সাইকেলের গতি বৃদ্ধি পাবে।

গ্যারাজে একদিন ট্রেডমিলের উপর দৌড়চ্ছিলেন ব্রুইন। আচমকাই তাঁর মনে হয় এই ট্রেডমিলকে যদি সাইকেলের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায় তাহলে কেমন হবে। লোকে ট্রেডমিলের উপর যেমন হাঁটে তেমনি হাঁটবে অথচ সাইকেলও চলবে। এতে একদিকে যেমন ট্রেডমিল করাও হবে, অন্যদিকে সাইকেল কাউকে গন্তব্যস্থলেও পৌঁছে দেবে। ‘লোপিফিট’ নামে একটি সংস্থা বানিয়েছেন ব্রুইন। ট্রেডমিলের এই সাইকেল বেশ সাড়া ফেলেছে বিশ্বজুড়ে। ট্রেডমিলের সঙ্গে সাইকেলের চাকার ইলেক্ট্রনিক্স সংযোগ বানিয়েছেন ব্রুইন। ফলে ট্রেডমিলের উপর হাঁটতে শুরু করলেই সাইকেলের চাকা ঘুরতে শুরু করবে। এই সাইকেলে গিয়ার, ব্রেক সবই রেখেছেন ব্রুইন।

এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে কয়েকটি বিপণন সংস্থা খুলেছেন ব্রুইন। এশিয়ার বিপণন সংস্থাটি মিডল ইস্টে। সেখান থেকেই ই-মেল বা ফোন করে এই সাইকেলের অর্ডার দেওয়া যেতে পারে। অথবা সরাসরি ‘লোপিফিট’-এর ওয়েবসাইটে ই-মেল করে বা ফোন করে সাইকেলটি আনাতে পারেন। তবে, এমন সাইকেলের মূল্যটা ভারতীয় মুদ্রায় লক্ষাধিক।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই