মেইন ম্যেনু

অবাস্তব গল্পে নির্মিত হিউ গ্লাসের জীবনী নির্ভর ‘দ্য রেভেন্যান্ট’

হলিউডে বর্তমানে বিখ্যাত অভিযাত্রী হিউ গ্লাসের রোমাঞ্চকর অভিযানের সত্যি গল্প নিয়ে নির্মিত ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবির জয়জয়কার। এই সিনেমার বদৌলতে অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অস্কার পেতে যাচ্ছেন, এমন ধারণা করছেন তাঁর সহকরী এবং সিনেমা বোদ্ধারা। তবে সম্প্রতি প্রশ্ন উঠেছে, সিনেমার হিউ গ্লাসের সঙ্গে বাস্তবের হিউ গ্লাসের মিল কোথায়। আদৌ কোন মিল কি আছে, নাকি পুরো সিনেমাটাই কল্পনা মাত্র! আসল গল্প কি এর চেয়েও ভয়াবহ নয়!

আগামী পরশু নির্ধারণ হবে আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু পরিচালিত ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবির অস্কার ভাগ্য। অস্কার অনুষ্ঠানের দুই দিন আগেই চলচ্চিত্র সমালোচক স্টিভ ফ্রিডম্যান এই নিয়ে একটি লেখা ছাপিয়েছেন।
মার্ক এল স্মিথ ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন মাইকেল পুঙ্কে রচিত বই থেকে তথ্য নিয়ে। বইটি প্রকাশ পায় ২০০২ সালে। কিন্তু অভিযাত্রী হিউ গ্লাসের অভিযান নিয়ে তিনটি প্রকাশিত হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম ১৯৭৬ সালে লেখা ‘দ্য সাগা অফ হিউ গ্লাস’।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে হিউ গ্লাস ঘোড়া সহ পাহাড় থেকে খাদে পড়ে যেতে, স্মৃতিতে দেখানো হয়েছে তাঁর আদিবাসী স্ত্রীকে, মহিষের কাঁচা মাংস খেতে, ঠান্ডায় ভালুকের সাথে যুদ্ধ করতে। কিন্তু স্টিভ ফ্রিডম্যান দাবি করেন এই ঘটনাগুলো বাস্তবে ঘটেছিল গ্রীস্মকালে। এবং কাযা মাংস খাওয়ার ব্যাপারটিও নাকি অযৌক্তিক।
প্রবন্ধকারের মতে, এই অভিযাত্রীকে নিয়ে ৪২ বছরে যত বই বেরিয়েছে, তাঁর কোন লেখকই হিউ গ্লাস সম্বন্ধে তেমন ধারণা রাখেন না। যা কিছু লেখা হয়েছে সব ওই নাকি কল্পনা থেকে।

ভালুক দ্বারা আক্রান্ত হবার পর হিউ গ্লাসের ছেলেকে হত্যা করে তারই দলের সঙ্গীরা। আহত হিউ গ্লাসকে নদীর ধারে ফেলে চলে যাওয়ার আগে তাঁর সমস্ত অস্ত্র নিয়ে যায় তারা। তাই ছবির মূল বিষয় দাঁড়ায়, হিউ গ্লাসে সেই সব সঙ্গীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ যারা অসহায় অবস্থায় তাঁকে ফেলে চলে গিয়েছিল। কিন্তু সিনেমায় দেখানো হয়, তাঁর ছেলেকে হত্যা করার কারণে প্রতিশোধ পরায়ণ গ্লাসকে। কারণ ছেলে হত্যাকারীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার গল্প দর্শক ভাল পছন্দ করে। সেই কারণেই সিনেমার গল্পের থিম এখানেই রাখা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে নাকি এমন কোন পুত্র ছিল না তাঁর জীবনে।






মন্তব্য চালু নেই