মেইন ম্যেনু

অভাবের কারণে খেতে হচ্ছে ঘাসের রুটি!

সপ্তাহখানেক আগে উত্তরপ্রদেশকে খরা-কবলিত রাজ্য বলে ঘোষণা করেছিল ওই রাজ্যের সরকার। এই রাজ্যের ৭৫টি জেলার এক-তৃতীয়াংশই অনাবৃষ্টির কারণে খরার কবলে পড়েছে।

খরার প্রকোপে বুন্দেলখণ্ডের উত্তরপ্রদেশভুক্ত এলাকায় গত তিন বছর ধরে কোনও ফলন হয়নি৷ যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে দরিদ্র মানুষের উপর৷ অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটছে তাঁদের৷ খরার প্রভাব এতটাই তীব্র যে, বেঁচে থাকার জন্য ঘাসের তৈরি রুটি খেতে হচ্ছে এখানকার মানুষকে৷ লালওয়াড়ি এলাকায় এই খরার প্রকোপ সব থেকে বেশি। লালওয়াড়ি সংলগ্ন এলাকার অন্য একটি গ্রামের কিছু সম্ভ্রান্ত পরিবারের লোকজন হতদরিদ্র মানুষের হাতে আটা তুলে দিয়ে তাঁদের সাহায্যের চেষ্টা করছেন৷ যদিও তা সকলের জন্য যথেষ্ট নয়। সেই কারণে, অল্প পরিমাণ আটার সঙ্গে ঘাসের বীজ মিশিয়ে রুটি বানিয়ে খেতে হচ্ছে এই অভাগা মানুষজনকে৷ নদীর ধারে গজানো লম্বা ঘাস ব্যবহার করা হচ্ছে শাক হিসেবে। সেটাই রুটির সঙ্গে খাওয়ার তরকারি বা সবজি। স্থানীয় একজন আক্ষেপের সুরে জানালেন, “এই ঘাসগুলো আমরা বাড়ির গবাদি পশুদের খাওয়াতাম। বাধ্য হয়ে এখন আমাদেরই এগুলো খেতে হচ্ছে।”

বুন্দেলখণ্ড এমনিতেই দেশের দরিদ্রতম এলাকাগুলির অন্যতম। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশভুক্ত তল্লাটে এখন খাদ্য সংকট রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফসল উৎপাদনের হার এখানে বেশ কম। তার উপর খরার প্রকোপে বর্তমান অবস্থা খুবই শোচনীয়। অখিলেশ যাদবের সরকারের তরফে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতা২৪






মন্তব্য চালু নেই