মেইন ম্যেনু

“অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে নিজের গলা কেটে ফেলবো”

দেশের মানুষের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সংখ্যালঘুদের জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ অভিযোগের বিন্দু পরিমাণ সত্যতা নেই।

বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ হয়। এসব নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

আজ সোমবার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের গণশিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের জমিদখলের যে অভিযোগ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তার সঙ্গে আমার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। কেউ যদি আমার এলাকায় গিয়ে এক তিল জমি দখলের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আমার গলা আমি কেটে ফেলবো।’

মন্ত্রী বলেন, শুধু এলাকাবাসী নয়, বিএনপির কোনো নেতাকর্মীও আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারবে না। অভিযোগ দেবেও না তারা।

তিনি বলেন, ‘পার্বতীপুরের চণ্ডিপুর ক্ষত্রিয় পরিবারের যে ৪৫ বিঘা জমি দখলের কথা বলা হচ্ছে সেই জমি ক্ষত্রিয় পরিবারের নয়। সে জমি ১১ বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এমদাদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি পেয়েছেন। কিন্তু গত ১১ বছরেও সেই জমি ওই ব্যক্তি বুঝিয়ে পায়নি। এটা নিয়ে কিন্তু কেউ সংবাদ প্রকাশ করে না।’

গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত ৩৫ বছর ধরে ওই জমি নিয়ে মামলা চলেছে। ১১ বছর আগে সুপ্রিম কোর্ট এমদাদ নামে এক ব্যক্তির পক্ষে রায় দিয়েছে কিন্তু ওই ব্যক্তি জমি এখনও দখলে নিতে পারেনি। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিরুদ্ধে কার কী করার আছে। অর্পিত সম্পত্তি সুপ্রিম কোর্ট যদি কাউকে দিয়ে দেয় তাহলে তো কারও কিছু করার নেই। এটা কিন্তু বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারাও জানেন। কিন্তু অযথা পরিস্থিতি ঘোলাটে করছেন তারা।’

প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ বলেন, দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ক্ষত্রিয় পরিবারের ৫৫টি পরিবারের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত সাংসদ ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাজল দেবনাথের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, সেকোনো তথ্য দিতে পারেনি। শুধু বলেছে সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছে তাই বলে দিয়েছি।

মন্ত্রী বলেন, আমি কাজল দেবনাথকে বলেছি সারাদেশের মানুষ তো মনে করছে আমি সংখ্যালঘুদের জমি দখল করেছি। কিন্তু আমি তো করিনি। আপনি এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিবেনে। তিনি আমাকে বললেন, আপনি রিজয়েন্ডার দেন। আমি বললাম, আমি কেন রিজয়েন্ডার দেবো? আপনি দেবেন। মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন আপনি।

গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, কাজল দেবনাথ যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেন তাহলে আমি নিরূপায় হয়ে যে পদক্ষেপ নেয়া দরকার তা নেবো।






মন্তব্য চালু নেই