মেইন ম্যেনু

অমর প্রেমে আপনার বিশ্বাস ফেরাবে এই দম্পতির কাহিনি

চিরন্তন প্রেম এবং ভালবাসার বিশ্বাস থেকে যখন প্রতিদিন একটু একটু করে দূরে সরে যাচ্ছে আজকের প্রজন্ম, তখন মনে হয় ভালবাসার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারেন ডন এবং মার্গারেটের মতো দম্পতিরা।

৫৯ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর, একসঙ্গেই সংসার-ধর্ম থেকে মুক্ত হলেন তারা। ৮০ বছরের মার্গারেট পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার দিনই তার সঙ্গে আবার অন্য কোনও দুনিয়ায় দেখা করার জন্য উতলা হয়ে উঠেছিলেন ৮৪ বছরের ডন!

সন্তানদের বলেছিলেন, স্ত্রীর সঙ্গে তাড়াতাড়ি আবার দেখা করতে চান স্বর্গে গিয়ে। আবার নতুন করে প্রেমে পড়তে চান, নতুন করে ভালবাসতে চান, আবার বিয়ে, আবার চান সংসার। আর তাই মনে হয়, গত ১৯ আগস্ট সকাল ৮টায় মার্গারেট মারা যাওয়ার পর, বিকেল ৫টা ১৯ মিনিটে স্ত্রীর কাছে চলে গেলেন ডন।

ক্যারোলিনের এই দম্পতির ভালবাসার গল্পই এখন মুখে মুখে ফিরছে তাদের পরিচিতদের। ডন এবং মার্গারেটের এই অদ্ভুত নিষ্পাপ ভালবাসাই বোধহয় মন কেড়েছিল সকলের। অজান্তেই ভীষণ প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন প্রত্যেকটা মানুষের। আর তাই বোধ হয়, তাদের বিদায়বেলায় চোখের জল ফেলেছিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ডন এবং মার্গারেটের সন্তানরা জানিয়েছেন, গত বছর থেকেই বেশ অসুস্থ ছিলেন ডন। স্বামীর অসুস্থতার সময় না কি ডনের সামনে থেকে এক মুহূর্তের জন্যও দূরে থাকতে চাইতেন না মার্গারেট! প্রায় সর্বক্ষণই ভালবাসার মানুষটির খেয়াল রাখতেন। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েন মার্গারেট।

ডন এবং মার্গারেটের এই ভালবাসা দেখেই মনে হয় দু’জনকে একই কেবিনে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তাদের শেষ যাত্রার সময়ও চোখের জল ফেলেছিলেন হাসপাতাল কর্মীরা। ডন এবং মার্গারেটের ছেলে ডেভিড বলেছেন, ডন না কি মাঝেমধ্যেই তার সন্তানদের নিজের এবং মার্গারেটের প্রেমের গল্প বলতেন। সেক্রেটারি মার্গারেটকে দেখে প্রথম দিনই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন ডন।

সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, মিষ্টি মেয়েটার সঙ্গেই জীবনের বাকি ভাল মুহূর্তগুলো কাটাতে চান। এর পর তাদের সেই মুহূর্ত হয়ে উঠেছিল চিরন্তন। ১৯৫৭ সালের ১৫ জুন বিয়ে করেছিলেন তারা। আর তাদের পার্থিব প্রেমের গল্প অমর হয়ে গেল চলতি বছরের আগস্ট মাসে। -সংবাদ প্রতিদিন






মন্তব্য চালু নেই