মেইন ম্যেনু

অমুসলিমকে ধর্ষণ ইসলামে বৈধ: আইএস

যেকোনো অমুসলিম নারীকে ধর্ষণ এবং নির্যাতন ইসলামে বৈধ বলে দাবি করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সম্প্রতি দেয়া এক বিবৃতিতে আইএসের পক্ষে দাবি করা হয়েছে, কুরআনে অমুসলিম নারীদের ধর্ষণের বৈধতা দেয়া হয়েছে। শুধু বৈধতাই নয় এ কাজে উৎসাহিত করেছে কুরআন বলে দাবি আইএসের।

১২ বছরের এক ইয়াজিদি কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসলে আইএসের পক্ষে দাবি করা হয়, এখানে অন্যায় কিছু হয়নি। কারণ ওই নারী মুসলিম নয়, সুতরাং তাকে ধর্ষণের বৈধতা রয়েছে।

গত বছরে পাঁচ হাজারের বেশি ইয়াজিদি নারীকে বন্দি করেছে আইএস। এদের বেশিরভাগের ভাগ্য জুটেছে যৌনদাসত্ব। দাস প্রথার মতোই আইএসের নিয়ন্ত্রণে থাকা নারীদের তারা বাজারে যৌনদাসী হিসেবে কেনা-বেচা করে।

প্রায় এক বছর আইএসের কব্জায় ছিলেন নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক রুকমিনি ক্যালিম্যাচ। সেখানে বন্দি ২১জন নারীর সাক্ষতকার নিয়েছিলেন তিনি। যৌনদাসী হিসেবে নারীদের কেনাবেচার বিষয়টি তিনি প্রথম জানান।

মার্কিন ওই সাংবাদিক বলেন, ‘আমাকে যখন নির্যাতন করা হয়েছিল, আমি বারবার অনুরোধ করেছিলাম এটি বন্ধ কর, খুব বেদনাদায়ক। কিন্তু নির্যাতনকারী আমাকে উত্তর দেয়, এটি আমাদের ধর্মে বৈধতা রয়েছে। বরং তোমাকে নির্যাতন করলে আমি সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।’

আইএসের নির্যাতনের কব্জা থেকে পালিয়ে আসা ১৫ বছরের এক কিশোরী বলেন, ‘প্রতিবার আমাকে ধর্ষণ করতে আসার আগে ওই ব্যক্তি প্রার্থনা করতো। ওই ব্যক্তি আমাকে বলেছে ধর্ষণ তার প্রার্থনার অংশ।’

আমি তাকে বলেছি, তুমি ভুল করছো, এভাবে তুমি কখনোই সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি যেতে পারবে না। কিন্তু সে আমাকে উত্তর দেয়, ‘না, এটি বৈধ, অর্থাৎ হালাল।’






মন্তব্য চালু নেই