মেইন ম্যেনু

অস্ট্রেলিয়ার গোলবন্যায় ভাসল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন না করলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেত কিনা সেটা বলা মুশকিল। তবে তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলার সুযোগ পাওয়াটাও এক প্রকার অর্জন বলা যায়। কারণ, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য যে অনেক। র‌্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়া ৬১। আর বাংলাদেশ ১৭৩। অস্ট্রেলিয়া চারবার বিশ্বকাপে খেলেছে। বাংলাদেশ এবারই প্রথম সরাসরি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়া এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন। আর বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ারও চ্যাম্পিয়ন নয়।

তাই অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাঠে হারিয়ে আসবে মামুনুল-এমিলিরা সেটা হয়তো কেউ ভাবেনি। কিংবা ভাবার দুঃসাহস করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ড্র করার স্বপ্ন অনেকেই দেখেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তবে ধরা দেয়নি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হার মেনেছে লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার পার্থ স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায়) ম্যাচটি শুরু হয়। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে পিছিয়ে পরে মামুনুল-এমিলিরা। দ্বিতীয়ার্ধে আরো একটি গোল হজম করে লোডভিক ডি ক্রুইফের শিষ্যরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের ৬ মিনিটে ম্যাথিউ লেকি গোল করে গোল বন্যার সূচনা করেন। ৬১ মিনিটে অ্যারোন মুয়ির গোলের মধ্য দিয়ে গোলবন্যার সমাপ্তি হয়। মাঝে ৮, ২০ ও ২৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান রোজিক ও নাথান বার্নস।

৬ মিনিটে লেকি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম গোলটি করেন। ম্যাচের ৮ মিনিটে টমাস রোজিকের গোলে ভর করে ২-০ গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। এরপর ম্যাচের ২০ মিনিটে রোজিক তার জোড়া গোল পূর্ণ করলে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। ম্যাচের ২৯ মিনিটে নাথান বার্নস গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-০ ব্যবধানের লিড দেন। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে অস্ট্রেলিয়া বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো থেকে গোল আদায় করে নিতে পারেনি।

ম্যাচের ৬১ মিনিটে অ্যারোন মুয়ির গোলে ব্যবধান হয় ৫-০। এরপর অবশ্য আর কোনো গোল পায়নি অস্ট্রেলিয়া। সেটা শুধু বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেছে সে কারণে নয়, অস্ট্রেলিয়াও কিছুটা রিলাক্স মুডে খেলেছে। সব মিলিয়ে এক-তরফা লড়াইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশ কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।






মন্তব্য চালু নেই