মেইন ম্যেনু

অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ঢাকারই ৪০ ভাগ মানুষের

ইট, সিমেন্ট বা টাইলস করা মজবুত টয়লেট থাকলেও রাজধানী ঢাকার ৪০ শতাংশ মানুষ অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার করছে। সচেতনতার অভাবে এখনো সর্বত্র স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট গড়ে উঠেনি। সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, কল-কারখানার টয়লেটগুলোও খুবই নিম্নমানের। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে নারীদের টয়লেট ব্যবস্থাপনায় করুণ অবস্থা।

বুধবার রাজধানীর বকশিবাজারের অবস্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৩ এর কার্যালয় হাজী গোলাম মোরশেদ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এ অভিযোগ করেন। ‘সেনিটেশন মাস অক্টোবর উপলক্ষে’ ‘সবার জন্য স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক উন্নত জীবন’ শীর্ষক এ সেমিনারের অয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাজেদা ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপো্রেশন।

সেমিনারে অভিযোগ করে বক্তারা বলেন, ঢাকা শহরের পাবলিক প্লেস, বিভিন্ন মার্কেট, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নারীবান্ধব স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের পরিমান খুবই কম। সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে কোনো দৃষ্টিপাত নেই।

বক্তারা আরো বলেন, রাজধানীতে নিম্নবৃত্ত এবং হতদরিদ্র মানুষের বেশিরভাগই অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার করছে। বিশেষ করে পথবাসীরা যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ করছে; ঢাকা শহরের বিরাট একটি অংশ এ কারণে নানা ধরনের রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ কারণেই রাজধানীর আজিমপুর, পলাশী, মিরপুর এলাকায় নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট করার কার্যক্রম শুরু করেছে সাজেদা ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি এ কার্যক্রম পরিচালনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জায়গা ব্যবহার করছে। দাতা সংস্থা ওয়াটার এইড স্বাস্থ্যসম্মত এসব পাবলিক টয়লেট তৈরিতে আর্থিক সহায়তা করছে।

সাজেদা ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারের আলোচনায় অংশ নেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত-৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়শা মোকাররম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন, সহকারী সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই