মেইন ম্যেনু

আইসল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিতে ফ্রান্স

রূপকথার জন্ম দেয়া আইসল্যান্ডকে শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো। কোয়ার্টার ফাইনালে থেমে গেল তাদের দৌড়। প্রথমবারের মতো ইউরো খেলতে আসা দলটিকে উড়িয়ে দিয়ে ২০০০ সালের পর প্রথমবারের মতো ইউরোর সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স।

রোববার রাতে ফ্রান্সের ফুটবলাররা গোল উৎসব করেছে। ওলিভার জিরোড জোড়া গোল করেছেন। পল পোগবা, দিমিত্রি পায়েত ও অ্যান্টনি গ্রিজম্যানের একটি করে গোল করেছেন। তাতে ৫-২ গোলের ব্যবধানে জিতেছে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ী দলটি।

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল আইসল্যান্ড। কিন্তু দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের কাছে হেরে যাওয়া সেমিতে উঠা হলো না দলটির।

আগামী বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালের ম্যাচে জার্মানির মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে গত বারের রানার্স আপ ইতালিকে হারিয়ে দিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

২০০০ সালে ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স। তারপর কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পার হতে পারেনি। এবার নিজেদের মাটিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল। জার্মান বাধা পার হতে পারলে দীর্ঘ ১৬ বছর পর তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কারণ অন্য সেমিতে মুখোমুখি হবে তুলনামূলক দুর্বল দল ওয়েলস ও পর্তুগাল।

এদিন খেলার ১২ মিনিটে গোলের সূচনা করে স্বাগতিক ফ্রান্স। পেনাল্টি বক্সের মধ্যে মাতুইদির কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন জিরোড।

দ্রুতই লিডকে ডাবলে নিয়ে যান পোগবা। খেলার ২০ মিনিটে গ্রিজম্যানের নেয়ার কর্নার কিক থেকে আসা বল হেড করে জালে জড়িয়ে দেন এই তারকা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে আরো দুটি গোল করে ফ্রান্স। খেলার ৪২ মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন পায়েত। এবারও গোলটির পেছনের নায়ক গ্রিজম্যান। তার পাস দেয়া বলই জালে জড়িয়ে দেন ওয়েস্ট হ্যাম মিডফিল্ডার।

প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে নিজের ভাগের গোলটি করেন গ্রিজম্যান। ম্যাচের ৪৫ মিনিটে জিরোডের কাছ থেকে পাওয়া বল সুচারুভাবে প্রতিপক্ষের জালে পাঠিয়ে দেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের তারকা।

বিরতির পর গোলের দেখা পায় আইসল্যান্ড। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে সিগথোরসন দলের হয়ে এই গোলটি করেন। কিন্তু তাদের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৫৯ মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন আর্সেনাল তারকা জিরোড।

খেলার ৮৪ মিনিটে আইসল্যান্ডের জারনাসোন আরেকটি গোল শোধ করে দেন। তারপরও ৫-২ গোলের ব্যবধানে সেমিফাইনালে উঠে যায় ফ্রান্স।






মন্তব্য চালু নেই