মেইন ম্যেনু

আগামী দশকেই চাঁদে বসবাস!

কল্পনা করুন তো, চাঁদের বুকে প্রিয়জনকে নিয়ে আপনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন, গল্প করছেন, ঘরবাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন, তাহলে কেমন হবে বিষয়টি? সম্ভবত এটি আর কল্পনার পর্যায়ে থাকছে না, হয়ে যাচ্ছে বাস্তবেই। আগামী এক দশকের মধ্যে চাঁদে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে নাসার অর্থায়নে পরিচালিত এক গবেষণায়।

নেক্সজেন স্পেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই গবেষণা চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদে অবতরণের রোডম্যাপ তৈরি করছে। অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানের অভিযাত্রীদের চাঁদের মাটিতে পা রাখার ৪৬তম বার্ষিকী ছিল ২০ জুলাই। ওই দিন এই ঘোষণা দেওয়া হয় বলে খবর প্রকাশ করেছে আমেরিকার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ভার্জ।

নেক্সজেনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সাল নাগাদ একটি স্থায়ী মহাকাশ স্টেশন তৈরি সম্ভব হবে এবং তার পরের বছরই মানুষ আবার চাঁদে হাঁটতে পারবে। মহাকাশ ভ্রমণের জন্য এখন যে খরচ পড়ে সেই খরচেই তখন চাঁদে অবতরণ সম্ভব হবে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।

নাসা এখন মহাকাশের অস্থায়ী স্টেশনগুলোতে যেভাবে ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ’-এ স্পেসএক্স, অরবিটালএটিকে, ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্সের মতো কম্পানিগুলোর মাধ্যমে রসদ পাঠায় সেই পদ্ধতিতেই চাঁদে মানুষ যেতে পারবে। ফ্যালকন নাইন নামের রকেট ব্যবহার করে স্পেসএক্স এখন প্রতি কেজি রসদ মহাকাশে পৌঁছে দিতে নাসার কাছ থেকে চার হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার নেয়। অ্যাপোলো অভিযানের সময় স্যাটার্ন ভি রকেটে প্রতি কেজি রসদ বহনের জন্য খরচ পড়ত প্রায় ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার।






মন্তব্য চালু নেই