মেইন ম্যেনু

আজও বিচার পেলেন না রবিউলের পরিবার!

শিশু রবিউলকে হত্যা করা হয়েছে নয় মাস আগে। আজ বৃহস্পতিবার ছিলো হত্যা মামলার রায়। কিন্তু রায় ঘোষণার দিন পিছিয়েছেন আদালতের বিচারক। মামলাটির রায়ের পরবর্তী দিন ধার্য্য করা হয়েছে ৩১ মে।

মামলা পিছানোর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে রগুনায় কয়েক দিন বিদ্যুৎ ছিলো না। তাই মামলার রায় প্রস্তুত না করতে পারায় এর তারিখ পিছানো হয়েছে।

বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ আবু তাহেরের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি আখতারুজ্জামান বাহাদুর।

নিহত রবিউল আউয়াল স্থানীয় ফরাজী বাড়ি দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত। রবিউলের বড় বোন খাদিজা দশম শ্রেণির ছাত্রী। ছোট বোন জান্নাতি (০২) সবে হাঁটতে শিখেছে। তালতলীর ফকিরহাট বাজারে রবিউলের বাবা দুলাল মৃধার খুচরা যন্ত্রাংশের একটি দোকান আছে।

গত বছরের ৩ অগাস্ট তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের রবিউল আউয়াল (১০) নিখোঁজ হয়। পরদিন বিকালে স্থানীয় লকরার খালে তার লাশ পাওয়া যায়।

অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জমান বাহাদুর বলেন, এই মামলায় রবিউলের বাবা-মা, পুলিশ, ডাক্তার এবং সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানসহ মোট ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

বাদী ও আসামির পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর আদালত ২৬ মে মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন বলে জানান তিনি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ৩ অগাস্ট রাতে খালে পেতে রাখা জালের মাছ চুরির অভিযোগ তুলে রবিউলকে পিটিয়ে হত্যা করে তার লাশ পাশের খালে ফেলে রাখেন আসামি মিরাজ। পরদিন বিকালে লকরার খালে রবিউলের লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

আইনজীবী আক্তারুজ্জমান বলেন, ওই ঘটনায় ৫ অগাস্ট রবিউলের বাবা দুলাল মৃধা বাদী হয়ে তালতলী থানায় মিরাজকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই মিরাজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৬ অগাস্ট মিরাজ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।






মন্তব্য চালু নেই