মেইন ম্যেনু

আজও শেষ হয়নি বেরোবির স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণকাজ

এইচ.এম নুর আলম,বেরোবি প্রতিনিধি: পর্যাপ্ত বাজেটের অভাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে আজও শেষ হয়নি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণকাজ।

এমনকি মেয়েদের জন্য অত্যাধুনিক মানের ১০ তলাবিশিষ্ট হল, অত্যাধুনিক গবেষণার জন্য ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিউট এর কাজও থমকে আছে অলসভাবে।আর সবকিছুর জন্য ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাড়ে ৯৭ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নুর উন নবী ২০১৩ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। জনতা ব্যাংকের দেওয়া অনুদানের ২০ লাখ টাকার কাজ শেষ হয়ে গেলে কাজে আর অগ্রগতি হয়নি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাজেট এনেও এর কাজ শেষ করা যায়নি।

এ স্বাধীনতা স্মারকের নকশা করেছেন রংপুরের শিল্পী মৃণাল কান্তি রায়। নকশাতে বলা হয়েছে, ১১ বর্গফুট বেদির উপর তিনটি স্তম্ভ থাকবে, যার একটি ৩৫ ফুট, অপরটি ২৫ ফুট ও অন্যটি ২০ ফুট পর্যন্ত উচ্চতাবিশিষ্ট হবে। এর ২০ ফুট উচ্চাতায় একটি ছাদ থাকবে। এই তিনটি স্তম্ভ স্বাধীনতা সংগ্রামসহ দেশ স্বাধীনের লড়াইগুলোর তাৎপর্য বহন করবে।

বেদিটি আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মসূচি পালনেরও সুযোগ থাকবে স্বাধীনতা স্মারকে।

সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচীর বেরোবি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সুমন কুমার আক্ষেপ করে বলেন, ‘বর্তমান উপাচার্যের আমলে এর কাজ করা সম্ভব নয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তেমন কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে পারেননি। আর স্বাধীনতা স্মারকের কাজ তো দূরের কথা।’

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এত বাজেট আসছে। কিন্তু বাজেটের টাকায় কাজ না করতে পারায় ফেরত যাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। তারপরও স্বাধীনতা স্মারকের কাজ শেষ হচ্ছে না কেন, তা নিয়ে আমাদের যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।’

নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের সাড়ে ৯৭ কোটি টাকার বাজেটে এই অসম্পূর্ণ স্মারকের কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসেই এর কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি আশা করেন।






মন্তব্য চালু নেই