মেইন ম্যেনু

আজব কারবার, মেয়েদের দিকে তাকালেই পুরুষের সর্বনাশ!

হেঁটে যাচ্ছেন কিন্তু ভদ্রভাবে যাবেন। মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকানোর সময় দেবে না কুকুর। মেয়েদের দিকে তাকালেই পুরুষের সর্বনাশ! একটুও ছাড় দেবে পাহারায় থাকা তিন কুকুর। এমন ঘটনাই মেরিন ড্রাইভের চারপাশে।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এমন খবর জানা গেছে।

ঘড়ির কাঁটা তখন ১১টা ছুঁইছুঁই। মেরিন ড্রাইভের চারপাশ ঘিরে ফেলা সমুদ্রের ফেনায় উপচে পড়ছে ঝলমলে আলো। তার ধার দিয়ে সে রাতে একা একাই হাঁটছিলেন নাতাশা হেমরজনী।

ক্লান্ত হয়ে সমুদ্রের ধার বাঁধানো সিমেন্টের উপরে বসতেই ঘটল আজব কাণ্ড। তাকে ঘিরে ধরে পাহারা দিতে শুরু করল তিনটি কুকুর। এমনকি আশপাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া কোনো ব্যক্তির উৎসুক চাউনি নাতাশার দিকে পড়লেও ঘেউ ঘেউ করে ওঠে। ফেসবুকে নিজের এ অভিজ্ঞতাই শেয়ার করেছেন মুম্বাইয়ের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফোটোগ্রাফার নাতাশা।

নাতাশা জানিয়েছেন, শুধু তিনিই নন, এভাবেই দিনের পর দিন মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভের মহিলাদের ‘পাহারা’ দিয়ে যাচ্ছে রাস্তার কুকুররা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নিজের ফেসবুক পোস্টে নাতাশা জানিয়েছেন, মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কোনো মহিলাকে একলা হেঁটে যেতে দেখলেই এই তিনটি কুকুর লেজ নাড়াতে নাড়াতে একটু আদর পাওয়ার জন্য ছুটে আসে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, যদি কোনও পুরুষ ওই মহিলার দিকে ‘কুনজর’ দেয়ার সামান্যতম চেষ্টাও করে তবে তার দিকে তেড়ে যায় ওই কুকুরগুলো। মজার কথা হলো, ওই পুরুষের সঙ্গে যদি কোনো মহিলা থাকে তবে আবার টুঁ-শব্দটিও করে না তারা।

নাতাশা জানিয়েছেন, বাইরের জগতে পা রাখলেই মহিলাদের সতর্ক হয়ে চলতে হয়। তার আক্ষেপ, ‌কী ভালোই হত, যদি পাহারাদার হিসেবে রাস্তার কুকুরদের একটু ট্রেনিং দিত পুলিশ!’

একইসঙ্গে ফেসবুকের ওয়ালে তার মন্তব্য, ‌আপনাদের কোনো ধারণাই নেই, রাতের বেলা পথেঘাটে কেউ যদি আপনার নজরদারিতে সতর্ক থাকে তবে মহিলা হিসেবে নিজেকে কী রকম সুরক্ষিত মনে হয়!’






মন্তব্য চালু নেই