মেইন ম্যেনু

আজব সব নিয়মে পৃথিবীর এই দেশ গুলোতে পালিত হচ্ছে ভালবাসা দিবস

১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে পালন করা হয় এ দিবসটিকে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন দেশে কিভাবে পালিত হচ্ছে ভালোবাসা দিবস।

জাপানঃ
জাপানের অধিবাসীরা ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করে একটু ভিন্নভাবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিতে জাপানিরা হোয়াইট ডে পালন করে।

মূলত সনাতন রীতিতে যেখানে পুরুষই প্রধান ভূমিকা পালন করে এ রীতির বাইরে গিয়ে ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালিত হয় দেশটিতে।

সেখানে দিনটি উদযাপনে নারীরাই মূলত প্রধান ভূমিকা পালন করে। তারা সঙ্গীদের নানা মূল্যবান ও ব্যতিক্রমী উপহার দেয়। পুরুষরা সাধারণত সেসব উপহার গ্রহণ করে। এসব উপহারের মধ্যে থাকতে পারে বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার, জুয়েলারি, সাদা চকলেট ও অন্তর্বাস।

এস্তোনিয়াঃ
বিশ্বের নানা দেশের মতোই এস্তোনিয়াতে ১৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। তবে সেখানে তা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য জন্য, এ দিনটিতে সেখানে মূলত বন্ধুরা একে অন্যকে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করে। এতে তা শুধু ভালোবাসা দিবস নয় বরং বন্ধুত্ব দিবসে পরিণত হয়।

এ দিবসে একে অন্যকে রোমান্টিক সম্পর্কের জন্যই নয় রোমান্টিকতাবিহীন সম্পর্কও নানা উপহারে উদযাপিত হয়। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও একে অন্যকে তাদের শুভেচ্ছা জানায় এস্তোনিয়ায়।

ডেনমার্কঃ
ডেনমার্কে আগে ভ্যালেন্টাইন্স ডে জনপ্রিয় ছিল না। তবে দেশটিতে সম্প্রতি এ দিবস পালনের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আর প্রিয় মানুষটিকে এ দেশের অধিবাসীরা লাল গোলাপ নয় বর সাদা ফুল দিয়ে এদিন শুভেচ্ছা জানায়।

অনেকেই তার মনের মানুষকে একটি বেনামি চিঠি পাঠায়, যেখানে তারা কোনো মজার কবিতা বা রোমান্টিক বাণী লিখে দেয়।

এ উপহার গ্রহীতা যদি সঠিকভাবে প্রেরককে খুঁজে পায় তাহলে তারা বছরের পরবর্তী সময়ে ইস্টার এগ বিনিময়ের প্রতিজ্ঞা করে।

ঘানাঃ
ঘানায় ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালিত হয় অন্য দেশগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে। দেশটিতে প্রচুর চকলেট উৎপাদিত হয়। আর এ কারণে অধিবাসীরা চকলেটকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে এ দিনটি পালন করে।

ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে তারা একে অন্যকে চকলেট উপহার দেয়। ২০০৭ সাল থেকে দেশটিতে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় চকলেট দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। এ ছাড়া ভালোবাসার বন্ধনে জড়ানো ব্যক্তিরা এ দিনটিতে একে অন্যকে চকলেট উপহার দেয়, রেস্টুরেন্ট, জাদুঘর ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানেও ভ্রমণ করে তারা।

ফিলিপিন্সঃ
ভ্যালেন্টাইন্স ডে ফিলিপিন্সে পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে পালিত হয়। এ দিনটিতে সেখানে অসংখ্য জুটি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে গণবিবাহের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। আর এ কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারিকেই বহু মানুষ বিয়ের জন্য বেছে নেয়। এভাবেই তারা ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করে।






মন্তব্য চালু নেই