মেইন ম্যেনু

আটকে না রেখে প্রকৃতির নিয়মে সাড়া দিন

সকালের ঘুমটা কেবলই ভেঙেছে, ঘুম ঘুম চোখে ব্রাশে পেস্ট মাখিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছেন, কিন্তু প্রাতক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। টেনশন বাড়ছে। পেট পরিস্কার না করেই বেড়িয়ে পড়েছেন অফিসে। রাস্তায় বড্ড চাপ অনুভব করছেন অথচ পছন্দের পরিবেশ পাচ্ছেন না বলে মলত্যাগে সায় দিচ্ছে না মন। পেটের ভিতরকার চাপ নিয়েই ছুটছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন এমন পরিস্থিতিতে কখনই বজ্র পদার্থ পেটে বহন করে বেশি সময় কাটানো উচিত নয়, এতে মৃত্যুও হতে পারে।

মহিলাদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা আরও গুরু গম্ভীর। মাহিলাদের শরীরী গঠন অনুযায়ী মাসের নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড হয়। ওই সময় গুলিতে পছন্দের পরিবেশ পেলেও মহিলারা অনেক সময়ই যথা তথা বর্জ্য পদার্থ ত্যাগে অনীহা প্রকাশ করে থাকেন। এতে সমস্যাটা আরও বাড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন, পেটে বর্জ্য আটকে রাখলে তা শরীরে স্বাভাবিক ক্রিয়াকে বাধা দেয়, সঠিক রক্ত চলাচল থেকে পচনক্রিয়া, গোটা পক্রিয়াতেই সমস্যা তৈরি করে। বর্জ্য পদার্থ শরীরের মধ্যে চেপে রাখলে বিষক্রিয়াও হয়, অনেক সময়ই মাথাব্যথা দেখা যায়, মত চিকিৎসকদের। যার জন্যে পরে সার্জারিরও প্রয়োজন হয়, কিন্তু তাতেও চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং তা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।২৪ঘণ্টা






মন্তব্য চালু নেই