মেইন ম্যেনু

আত্মসমর্পণ করবেন রিজভী!

পল্লবী থানার নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ ব্যাপারে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন তিনি। খুব শিগগিরই বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন বলে রিজভীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।

জানতে চাইলে বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবেলা করা হবে বলে জানান বিএনপির সিনিয়র এ যুগ্ম-মহাসচিব।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলায় রুহুল কবির রিজভীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে প্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রুহুল আমিন মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে আগামী ২৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপির ডাকে হরতাল-অবরোধ চলাকালে নাশকতার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিকে, অর্থপাচার মামলায় গত ২১ জুলাই বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। ২০ কোটি টাকা জরিমানাও করেন আদালত। তারেকের বিরুদ্ধে রায়ের পর বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচি পালন এবং নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে নেতাদের তেমন একটা দেখা মিলছে না।

এর মাঝেও ব্যতিক্রম রুহুল কবির রিজভী। পরোয়ানা সত্ত্বেও দলের দুর্দিনে আসছেন দলীয় কার্যালয়ে, কৌশলে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আবার চলেও যাচ্ছেন। রিজভী আসলে তখন কার্যালয়ে কিছু নেতাকর্মীর দেখা মেলে। অন্যথায় নেতাকর্মীদের কোনো খোঁজ থাকে না।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে আসেন রিজভী। সঙ্গে সঙ্গে পোষাকধারী ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। কিন্তু তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে কৌশলে কার্যালয় ত্যাগ করেন তিনি।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের রায়ের আগেরদিন (২০ জুলাই) থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য মোতায়েন করা হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আশপাশের গলির মুখেও মোতায়েন করা হয় পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি কার্যালয়ের একজন স্টাফ বলেন, ‘কয়েকদিন আগে রিজভী স্যার অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তখন দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের তেমন একটা দেখা মিলতো না। পরে স্যার যখন আবার বিএনপি কার্যালয়ে আসলেন, তখন কিছু নেতাকর্মীও আসতে শুরু করেন। বলতে গেলে, রিজভী স্যারই বিএনপি কার্যালয়ের প্রাণ!’

পরোয়ানা জারির পর ওইদিনই (২৫ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। তারেক রহমানকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে এ সমাবেশ হয়।

পরদিন মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) একই ইস্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক আলোচনা সভায়ও যোগ দেন তিনি। তারেক রহমান ইস্যুতে ঘরে বসে থাকতে পারেন না যে রুহুল কবির রিজভী!বাংলামেইল






মন্তব্য চালু নেই