মেইন ম্যেনু

আত্মসমর্পণ করায় আসামিকে সুন্দরী বউ ও পুলিশের চাকরি উপহার!

কোনভাবেই আত্মসমর্পণ করানো যাচ্ছিল না তাদের। বাধ্য হয়ে কৌশলী হয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। সেই সুবাদে বউঁয়ের সাথে পুলিশের চাকরিও পেয়ে যান তারা। অস্ত্র ছেড়ে নতুন জীবন শুরু করেছেন তারা। ধ্বংস থেকে সৃষ্টি ফিরে এসে স্বাভাবিক জীবন লাভ করায় ভাগ্যবানই বলতে হয় তাদের। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের ছত্তিসগড় প্রদেশে। সেখানকার সাবেক দুই মাওবাদী গেরিলার ! পুলিশের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।

কোশি মারকাম ছিলেন মাওবাদী দলের প্লাটুন সদস্য। সে সময় বাসতারের জানমিলিশিয়া ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন লক্ষ্মণ পোদিয়াল। এ দুই মাওবাদী সদস্য একে অন্যের প্রেমে পড়েন। তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দলের নেতারা তাতে বাধ সাধেন। এরপর প্রেমের টানে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন দু’জন।

পুলিশের পক্ষ থেকে ধুমধাম করে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। আর বিয়ের উপঢৌকন হিসেবে দেয়া হয় পুলিশের চাকরি। বাসতার রেঞ্জের পুলিশের মহাপরিদর্শক এসআরপি কালুরি বলেছেন, যদি অন্ধ্র বা তেলেঙ্গানার মাওবাদী কমান্ডাররা বিয়ে করতো তাহলে কোন সহিংসতার প্রয়োজন পড়তো না। কিন্তু মাওবাদীরা কোন বিয়ের অনুমতি দেয় না।

উপরন্তু বিয়ের বদলে তাদেরকে শাস্তি, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হয়। তাই এই বিয়ের মাধ্যমে আমরা তাদের এই বার্তা দিতে চাই, যদি তারা আত্মসমর্পণ করে, আমরা তাদেরকে সহায়তা দিবো এবং সাথে চাকরিরও ব্যবস্থা করবো।

এদিকে সাবেক মাওবাদী গেরিলা লক্ষ্মণ বলেন, আগে আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে লড়াই করতাম। এখন সেই পুলিশই আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করলো। আমরা খুব সুখী এবং ভালো আছি।






মন্তব্য চালু নেই