মেইন ম্যেনু

আত্মহত্যার জন্য ক্লিনিক!

আত্মহত্যার জন্য ক্লিনিক! সেটাকে আবার বলা হয় ‘মৃত্যু ঘর’। এমন ক্লিনিক রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখের সামনে। যেখানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত মানুষকে আত্মহত্যার জন্য সাহায্য করা হয়। ক্ষেত্র বিশেষে সুইজাল্যান্ডে আত্মহত্যা করার স্বীকৃতি রয়েছে। আর এই আত্মহত্যায় সাহায্য করতেই ১৯৯৮ সালে পথচলা জুরিখের ওই ক্লিনিক। তবে বললেই যে কেউ আত্মহত্যা করতে পারেন না।

সেখানে গিয়ে আগে রোগীকে প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি আত্মহত্মার জন্য প্রস্তুত। এ সিদ্ধান্ত বিবেচনা করেই নিয়েছেন। এমনকি মৃত্যুর জন্য অ্যানাস্থেটিকের প্রাণঘাতী ডোজ নিজেকেই খেতে হবে। ১৯৯৮ সালে ওই ক্লিনিক খোলার পর এখনো পর্যন্ত ২৭৩ ব্রিটিশ নাগরিক এখানে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ব্রিটেনের আগে রয়েছে জার্মান। ৯২০ জার্মান নাগরিক এই ক্লিনিকে আত্মহত্যা করেছেন। তৃতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের ১৯৪ জন সেখানে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

এক ব্রিটিশ নাগরিকের আত্মহত্যার পর সম্প্র্রতি ওই ক্লিনিকের নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগে সেখানে গিয়ে আত্মহত্যা করেন ব্রিটিশ নাগরিক জেফরি স্পেক্টর। ৫৪ বছরের ওই ব্যক্তি দুরারোগ্য ক্যানসারে ভুগছিলেন। অ্যানাস্থেটিকের প্রাণঘাতী ডোজ নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে তার স্ত্রী এবং তিন মেয়ে তাকে আত্মহত্যা করতে নিষেধ করেন। স্ত্রী ও কন্যাদের নিষেধ অমান্য করেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। নিজের আত্মহত্যার স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে জেফরি বলেন, ‘স্ত্রী ও সন্তানদের ভালোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ আর ওই ‘মৃত্যু ঘরে’ যাওয়ার আগে পরিবারের সবার সঙ্গে শেষ খাবার খান জেফরি। অনেকটা সময়ও কাটান তিনি। কিন্তু তার আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিল না স্ত্রী ও সন্তানরা।






মন্তব্য চালু নেই