মেইন ম্যেনু

আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে ডাকঘরের কার্য্যক্রম

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) : ডাক বিভাগের উদাসীনতা, পোষ্ট মাষ্টার, পিয়ন রানারদের দ্বায়িত্ব পালনে গাফিলতির কারনে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার প্রধান ডাকঘর সহ ২৮ টি সাব ডাকঘর গুলোর বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বেশির ভাগ ডাকঘরের দেয়ালগুলোতে বড় বড় ফাটল। এর মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ফলে প্রতি বছর বিপুল অংকের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। পোষ্ঠ অফিসের বেহাল দশাই বড় বড় অফিস আদালত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ বিপাকে পরেছে। ফলে সৃষ্ট এ পরিস্থিতিতে ডাকবাক্সের গুরুত্ব একদম কমে যাওয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও সেটির আর যতœ নেয় না। এমন কি ডাক পিয়ন ও ডাকবাক্সের নিয়মিত খবর রাখে না। চলার পথে কখন কথাও ২/৪টি ডাকবাক্স চোখে পরলেও সেটি একদমি জরাজীর্ন ও চিঠিপত্র পোষ্ট অনুপযোগী বলে মনে হয়।

উপজেলার প্রধান ডাকঘর সূত্রে জানাযায়, প্রধান ডাঘকর সহ উপজেলায় মোট ২৮ টি ডাকঘর রয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বেশির ভাগ ডাকঘর গুলোর কার্যক্রম বন্ধ প্রায়। বেশির ভাগ ডাকঘর গুলোতে পিয়ন, পোষ্ট মাষ্টার, রানার নেই বললেই চলে। আবার, কিছু ডাকঘরে নিয়ম মাফিক লোক নিয়োগ থাকলেও ডাকঘরের পিয়ন, পোষ্ট মাষ্টার বা রানার একাই সব দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। এতে জন সাধারণ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি ভাবে পাঠানো চাকুরির জন্য ইন্টারভিউ কার্ড যথা সময়ে প্রার্থীদের হাতে না পৌঁছার কারনে তারা চাকুরির সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়ে পরছে। এ দিকে উপজেলা ডাকঘর গুলোর কার্যক্রম এতই ধীরগতি সম্পূর্ণ যে উপজেলার ডাকঘর কোথাও অবস্থিত এবং এর পিয়ন, পোষ্ট মাষ্টার, রানার কে তা জানে না সাধারণ মানুষ। বেশির ভাগ ডাকঘরে নির্দিষ্ট কোন অফিস নেই। অনেক ডাকঘর কোন দোকান ঘরে, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসের বারান্দায়, কোন পরিত্যক্ত রাজবাড়ি বা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের অফিসের ডাকঘরে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলার রঘুরামপুর ডাকঘরের পোষ্ট মাষ্টার মোঃ বারিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ এ ডাকঘরে কর্মরত আছি। এ ডাকঘরের কার্য্যক্রম আমাদের খুব কষ্টের মাঝে করতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে এ ডাকঘরের ছাউনি ভেদ করে পানি পড়ে। তিনি আরো বলেন একাধিকবার ভবনের এ দুর্দশার কথা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি কিন্তু কোন ফল মেলেনি।






মন্তব্য চালু নেই