মেইন ম্যেনু

আদমদীঘির রক্তদহ বিল পানিশূন্য, চলছে এখন ইরি-বোরো ধানের আবাদ

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা: নওগাঁর রাণীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘির ঐতিহাসিক রক্তদহ বিল এখন শুকিয়ে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। ফাল্গুনের শুরুতেই বিলের তলায় আগাছায় পারপূর্ণ হলেও চারপাশে এখন ইরি-বোরো ধানের আবাদ হচ্ছে। বিলের বটগাছের চারপাশে ইরি ধানের সবুজের সমারোহ বিরাজ করছে। বিল পানিশূন্য হয়ে পড়ায় এলাকায় মাছের তীব্র আকাল দেখা দিয়েছে। এতে বিল এলাকায় ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মৎস্যজীবি বেকার হয়ে পড়েছে। কাজ না থাকায় তাদের পরিবারে এখন চরম দুর্দিন যাচ্ছে। বিশেষ করে আদমদীঘি মাছের ভান্ডার খ্যাত ঐতিহাসিক রক্তদহ বিল ও তৎসংলগ্ন ১৩টি খাল প্রতিবছর শুষ্ক মওসুমের শুরুতেই শুকিয়ে যায়। দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না করায় এই খাল ও বিলগুলোর তলদেশ ভরাট হয়ে পানি ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। প্রায় ৯শত একর এলাকা জুড়ে বিস্তুত ঐতিহাসিক রক্তদহ বিলে এক সময় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। এ বিল থেকে এলাকায় মাছের চাহিদা পূরণ করে নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট ও নাটোর জেলার দক্ষিণ -পূর্ব এলাকার মাছের চাহিদা পূরণ হতো। এ বিলে শোল,বোয়াল, চিতল, মাগুর, আইর, গজার, পবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সুখ্যাতি আজও ছড়িয়ে রয়েছে। ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত এনজিও ব্র্যাক এই বিলের সংস্কার ও মাছ চাষের দায়িত্ব গ্রহণ করে। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বিলটি শুকিয়ে যাওয়ায় মাছ চাষ করা সম্ভব হয়নি। বিল পারের কয়েকটি গ্রামের মৎস্যজীবিরা জানায়, সরকারিভাবে বিলটির সংস্কার করা হলে এলাকার মৎস্যজীবিরা যেমন পৈত্রিক পেশা ফিরে পাবে, তেমনি এলাকার মাছের চাহিদা পূরণ করেও অন্যান্য এলাকায় মাছ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।






মন্তব্য চালু নেই