মেইন ম্যেনু

আদালতে সাক্ষ্য দিলেন এমপিপুত্র রনির বন্ধু

রাজধানীতে এমপিপুত্রের লাইসেন্স করা বন্দুকের গুলিতে দু’জন নিহতের ঘটনায় রনির বন্ধু কামাল মাহমুদ আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে বুধবার দুপুর ৩টায় তিনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। এরপর আধাঘণ্টা তিনি আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) দিপক কুমার দাস বিষয়টি জানান।

রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে গভীর রাতে এলোপাতাড়ি গুলি করে দু’জনকে নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ও সংরক্ষিত আসনের এমপি পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির জামিন মঙ্গলবার নামঞ্জুর করেন আদালত।

রনির আইনজীবী এ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু মঙ্গলবার জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আমিনুল হক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

শুনানিতে রনির আইনজীবী শওকত ওসমান আদালতকে বলেন, ঘটনার সময় রনি হাসপাতাল থেকে তার অসুস্থ ছেলেকে দেখে বাসায় ফিরছিলে। তিনি খুনের ঘটনায় কোনোভাবেই জড়িত নন। পুলিশের সঙ্গে মনোমালিন্যের জের ধরে তাকে ফাঁসানো হতে পারে।

তিনি বলেন, রনি একজন এমপির ছেলে। এমপির ছেলে হয়ে তিনি একজন রিকশাচালককে হত্যা করতে পারেন না। তাছাড়া তিনি (রনি) নিজেও অসুস্থ। কাজেই মানবিক কারণে তাকে জামিন দেওয়া হোক।

অন্যদিকে, কোর্ট পুলিশের সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসপি) সিরাজ উদ্দিন বলেন, তিনি (রনি) এক নিরীহ রিকশাচালকে গুলি করে হত্যা করেছেন। তাকে কোনোভাবেই জামিন দেওয়া উচিৎ হবে না।

১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে ১৫ এপ্রিল রাতে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

২৪ মে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি)। তদন্তভার পাওয়ার পর ৩১ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই