মেইন ম্যেনু

আদালত পাড়ায় রমরমা মোবাইল ব্যাংকিং

ঢাকার আদালত পাড়ায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের রমরমা ব্যবসা চলছে। আর এ ব্যবসার প্রধান কাস্টমার হলেন আইনজীবী, মুহুরী, বিচারপ্রার্থীসহ অনেকে। ঢাকার নিম্ন আদালতের রায়েশা বাজার মোড়, জনসন রোড, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট, তাঁতী বাজার, শাখারী পট্টি ও আগরবাতি গলিতে মঙ্গলবার এ দৃশ্য দেখা গেছে। এসব এলাকার দোকানে বিকাশেই লেনদেন হচ্ছে বেশি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোর্ট হাউজ স্ট্রিটের এক ব্যবসায়ী জানান, আদালত এলাকায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এখন রমরমা ব্যবসা। আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের টাকাই বেশি লেনদেন হয়। যদিও দোকানদারদের দাবি সে লেনদেন অল্প টাকার।

সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ এ লেনদেন। দোকানদার ও আইনজীবীদের দাবি এ ব্যাংকিং সেবা হওয়াতে সবাই খুশি। ঝামেলা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত টাকা তুলতে পারেন সবাই। বর্তমানে আদালত পাড়ায় সব মিলিয়ে ১২টি দোকান রয়েছে। এসব দোকানে তাঁতী বাজার ও শাখারী বাজারের দোকানিরাও লেনদেন করেন। জানা গেছে, প্রতি দোকানে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা করে লেনদেন হয় প্রতিদিন। এতে করে ১২ টি দোকানে প্রতিদিন ৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়। মাসে গড়ে লেনদেন হয় দেড় থেকে ২ কোটি টাকা।

ঢাকা বারের আইনজীবী সবুর মিয়া জানান, আইনজীবীদের কোনো নির্ধারিত ফি নেই। সিনিয়র ও নামকরা আইনজীবীরা মক্কেলের কাছ থেকে বেশি ফি নেন। তবে মক্কেলরাও সিনিয়রদের বেশি পছন্দ করেন। ভালো কাজের আশায় তাদের ভালো ফি দেন। তার দাবি- শুধু হাজিরা বা সার্টিফাই কপি তোলার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে থাকেন মক্কেলরা। আগে অল্প পরিমাণে টাকা পাঠানোর জন্য মক্কেলদের আদালতে আসতে হত। এখন মক্কেলরা বিকাশের মাধ্যমে তা পাঠিয়ে দেন। এতে তাদের সময় ও যাতায়াত ভাড়া বাঁচে। এখন বেশিরভাগ আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীর বিকাশ একাউন্ট রয়েছে। তবে আদালত এলাকা ঘিরে এমন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রসার ও অধিকাংশ আইনজীবীর মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট থাকা কি বিশ্বের অন্যান্য দেশের আদালত প্রাঙ্গণের চিত্রের সঙ্গে বেমানান কিনা জানতে চাইলে ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান মানিক বলেন, অন্য দেশের তথ্য বা তুলনা আমার জানা নেই। তবে আইনজীবীদের সঙ্গে লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রসারের বিষয়টিতে আতঙ্কের কিছু নাই।

তিনি দাবি করেন, মক্কেলদের যাতায়াত ভোগান্তি কমাতেই মোবাইল ব্যাংকিং দরকার হচ্ছে। তার হিসাবে ঢাকা বারে মোট ২২ হাজার ছয়’শ জন আইনজীবী সদস্য রয়েছেন।-পরিবর্তন






মন্তব্য চালু নেই