মেইন ম্যেনু

আধুনিকতার ছোঁয়া রাবির ব্যায়ামাগারে

ইয়াজিম ইসলাম পলাশ, রাবি প্রতিনিধি: মানুষের শরীর একটি প্রাকৃতিক যন্ত্রের মতো। তাই এর জন্য দরকার নিয়মিত চর্চা। এর ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন হয় সঠিকভাবে, শরীর হয় সুগঠিত, যা নিশ্চিত করে প্রতিটি মানুষের সুস্বাস্থ্য আর দীর্ঘায়ু।

কর্মময় জীবনের সঙ্গে সুস্থ শরীর ও সুন্দর মনের নিশ্চয়তা দিতে হবে নিজেকেই। আর সেই নিশ্চয়তা হিসেবে ব্যায়ামগারের বিকল্প নেই।

প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রয়েছে অত্যাধুনিক ব্যায়ামাগার। যা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া খুবই দুস্কর। রাবির ব্যায়ামাগারে রয়েছে টেন মাল্টি স্টেশন ১টা, ফাইভ মাল্টি স্টেশন ১টা, হাফ স্কোয়াড মাল্টি স্টেশন ৩টা, ইন ক্লাইন ১ টি, বেঞ্চ ফ্রেশ ১টি, সিট আপ বেঞ্চ ৪টি, থাই ফ্রেস ১ টি, ওয়েট ৫০০ কেজি, ডাম বেল ২০ টি, বারবেল ৮টি, ডিপস স্টেশন ২টি, পুশ আপ স্ট্যা- ৮ জোড়া, টু স্ট্যাডিং হ্যামার ৮টি, জাম্পিং বক্স ৪টি, কুল আপ বার ৪টি, হ্যাঙ্গিং রিং ৪ জোড়া, ওয়াল বার স্টেশন ১ টি । এছাড়াও রয়েছে খেলাধূলার নানা যন্ত্রাংশ।

বিশাল আকারের ব্যায়ামাগারের পাশাপাশি রয়েছে টেবিল টেনিস, বাস্কেট বল ও ব্যাটমিন্টন খেলার খেলার ইনডোর স্টেডিয়াম।

ব্যায়ামাগারে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও অনুশীলন করার সুযোগ পায়। শিরিন আক্তার, জাকিয়া সুলতানার মতো অনেক মেয়েই এই ব্যায়ামাগারে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। মেয়েদের জন্য সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত এবং ছেলেদের জন্য বিকাল সাড়ে ৪ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ব্যায়ামাগারে প্রবেশের পূর্বে রেজিস্টেশন খাতায় স্বাক্ষর ও আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হয়। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ব্যায়ামাগারে আসেন।

শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক চৌধুরি মনিরুজ্জামান বলেন, বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যায়ামাগার অনেক আধুনিক। এছাড়াও আধুনিকায়নের জন্য আরো কাজ করা হচ্ছে। কোরিয়ান কোম্পানি কইকো আমাদের ৪৪,০০০ ডলার দিয়েছিল যার ভিত্তিতে আমাদের ব্যায়ামাগারে অনেক সরঞ্জামাদি কেনা ও ব্যায়ামাগারের উত্তরপাশে নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। এরপর দক্ষিণপাশে কাজ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খুবই আন্তরিক তারা আমাদের যথেষ্ঠ সহযোগিতা করেন যার ফলে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের সাফল্যের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।

শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের উপ পরিচালক পার্থ প্রতিম মল্লিক বলেন, আসলে উন্নত দেশের ব্যায়ামাগার যতটা আধুনিক আমাদের ব্যায়ামাগার ততটা আধুনিক এখনো নয়। আমাদের রুমটা ভালো হলেও এর ডেকোরেশন সাজানো না। তবে আমরা অনেক আশাবাদী আমাদের অ্যাথলেটরা অনেক ভালো করছে।

ব্যায়ামাগারে আসা গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, আমরা আমাদের ব্যায়ামাগারে অনেক সন্তুষ্ঠ। তবে রানিং মেশিনটা আমাদের খুব জরূরী যা আমাদের ব্যায়ামাগারে নেই । এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলে বেশি ভালো হতো।






মন্তব্য চালু নেই