মেইন ম্যেনু

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ ভেন্যু

২০১৫ সালটা বাংলাদেশের জন্য দারুণ কাটছিল। পাকিস্তান,ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দেশগুলোর বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। সেই ধারাবাহিকতায় টেস্টেও ভালো করেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। তাই আশা ছিল নতুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আলো ছাড়ানো পারফর্ম করবে সাকিব-তামিমরা।

তবে অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ সফর স্থগিতের ঘোষণা দিয়েয়ে। তবে এই রেশ কাটতে না কাটতে দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দলও বাংলাদেশ সফরে এ মুহূর্তে না আসার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটের বড় দুটি দলের এমন সিদ্ধান্তে গোটা বাংলাদেশ হয়েছে হতাশ। তাই বাংলাদেশে কিভাবে আবার দ্রুত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টাটাই করবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

গত দশ বছর জঙ্গী ইস্যুতে বাংলাদেশের খেলাধুলা কখনো থেমে থাকেনি। তাই বিসিবি সভাপতির বিশ্বাস দ্রুতই বাংলাদেশে ফিরবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। এই জন্য জিম্বাবুয়েন বোর্ডকে নভেম্বরে দুটো টেস্ট ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ।

যদিও এই দুটো টেস্ট খেলার জন্য জিম্বাবুয়ের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু এবার সফরটা দুই ভাগে করার চিন্তা করছে বিসিবি। আগামী ৯ অক্টোবর দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভা রয়েছে। ওই সভাতে ভবিষ্যত ট্যুর প্ল্যান বা এফটিপিতে বাংলাদেশের খেলাগুলো কিভাবে বাড়ানো যায় তার জন্য অন্যান্য বোর্ডের পূর্ণ সমর্থন পাবেন বলেও দারুণ আশাবাদী বিসিবি সভাপতি।

বোর্ড সভা শেষে বুধবার সন্ধ্যায় মিরপুরে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আইসিসির মিটিং রয়েছে নয় অক্টোবর। এর পরের দিন অর্থাৎ ১০ অক্টোবর এফটিপি নিয়ে আলোচনা করা হবে। তাই ওই সভায় বাংলাদেশের এফটিপি কিভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করব। এমনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে আসেনি। ২০১৭ সালের আগে বাংলাদেশ সফরের জন্য তাদের সামনে সময়ও নির্ধারণ করা নেই। এর আগে আর কোন সফরের সূচি তৈরী করা যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা করা হবে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘ট্যুরগুলো দ্বি-পাক্ষিক ও আলোচনার ভিত্তিতে করা হচ্ছে। আইসিসিকে তা আমরা জানিয়ে দিচ্ছি। আইসিসি এভাবে তাদের প্রোগ্রামটা সাজাচ্ছে। এটাকে আরও কিভাবে সুদৃঢ় এবং কতটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক করা যায় তার জন্য অন্যান্য বোর্ডের নব্বই ভাগ সমর্থন পাবো বলে আমি আশা করছি। তবে এখন আমার একটাই কাজ হবে আইসিসিকে বোঝানো, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ ভেন্যু।’






মন্তব্য চালু নেই