মেইন ম্যেনু

আপনার ঘর যেভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে আপনার শরীরের মেদ

ঘরে বসে ব্যায়াম করার কথা, শরীরের বাড়তি মেদ ঝরনোর কথা তো সবাই বলে থাকেন। চারপাশ ঘাটলে পাওয়া যাবে এর হাজারো টিপসও। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই ঘরই আপনাকে দিনকে দিন করে তুলছে আরো অনেক বেশি মেদের অধিকারী? ওজন কমাচ্ছে তো না-ই, আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণ। চলুন দেখে ঘরে বসেই আমাদের ওজন বাড়িয়ে দেওয়া এমন দৈনন্দিন কিছু জিনিসকে।

১. রান্নাঘরের আসবাব
রান্নাঘরে অনেকেই একটা আরামদায়ক চেয়ার আর টেবিল রাখেন। যেটা কিনা থাকে সবগুলো ঘর থেকেই কাছে। গল্প, আড্ডা, জরুরী কাজ-সবটার সময়েই মানুষ বেছে নেয় যে চেয়ারটিকে। যদি আপনার রান্নাঘর কিংবা তার আশেপাশে এমন কোন আরামদায়ক চেয়ার থেকে থাকে তাহলে সেটাকে এক্ষুণি অন্য স্থানে নিয়ে যান। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আরামদায়ক চেয়ারই মানুষকে অনেকক্ষণ ধরে রান্নাঘরে থাকতে বাধ্য করে। আর রান্নাঘরে বসে থাকার দরুন মানুষের খাওয়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। মানুষ অর্জন করে বাড়তি মেদ। এছাড়াও খাবার টেবিলের মুখ টেলিভিশনের দিকে থাকলেও সেটা আপনার মেদকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।

২. ঘরের আলো
ঘরের আলো একজন মানুষকে বেশি খেতে বাধ্য করে। ভাবছেন বানোয়াট কথা বলছি? একদমই না। বরং শুধু আমি একা নই, এ কথাটি বলেছেন মনোবিশেষজ্ঞরাও। মনোবিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিবেদন অনুসারে হালকা আলোতে যারা খাবার গ্রহন করে তাদের চাইতে উজ্জ্বল আলোতে খাবার গ্রহনকারীরা ১৮ শতাংশ বেশি খেয়ে থাকে (লিভস্ট্রং)। তাদের কাছে খাবারকে অনেক বেশি সুস্বাদুও মনে হয়। মনে করা হয়, হালকা আলোতে পরিবেশ শান্ত থাকার ফলে মানুষ ধীরে খাবার খায় আর তাই খাবারের পরিমাণ কম থাকে। কিন্তু উজ্জ্বল আলোতে সেটা না হওয়ায় মানুষ খেয়ে নেয় বেশি।

৩. অগোছালো ঘর
গবেষকেরা একের পর এক গবেষনার মাধ্যমে পেয়েছেন যে, গোছালো ঘর মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে মানসিকভাবে বাধ্য করে। এক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি অব মিনাসোটার গবেষকদের করা একটি গবেষনায় পাওয়া যায় যে উপরের কথাটি একেবারে সঠিক। অগোছালো ঘর আমাদের শরীরের মেদ বাড়াতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে তারা দুটি ঘরে মানুষকে পাঠান। একটি খুব গোছালো, আর অন্যটি অগোছালো। দেখা যায় যে, গোছালো ঘরে থাকা মানুষেরা আপেল আর অগোছালো ঘরে থাকা মানুষেরা চকোলেট খেতে চাইছে। আর এটা কেবল একবারই নয়, বারবার হয়েছে। তাই বলা চলে যে, আপনার অগোছালো ঘরটিও আপনাকে মানসিকভাবে মেদ তৈরিতে সাহায্য করে।

৪. লাল রংএর দেয়াল
রংও আমাদের মস্তিষ্ককে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে। এই যেমন, লাল দেয়াল আমাদের ভেতরে ক্ষুধার অনুভূতি তৈরি করে এবং বাড়িয়ে দেয়। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে লাল নয়, বরং এক্ষেত্রে ঘরের রং করা উচিত নীল বা সবুজ ( দিস ওল্ড হাউজ )। এতে করে আপনার ভেতরে ক্ষুধার অনুভূতি খুব বেশি কাজ করবে না।

. বড় আকৃতির প্লেট
একটু খেয়াল করে দেখুন তো আপনার প্লেটের আকৃতি কতটা বড়? যদি বেশি বড় হয়ে থাকে তাহলে খুব দ্রুত সেটাকে ছোট করে ফেলার চেষ্টা করুন। কারণ, বড় আকৃতির প্লেট আমাদের মস্তিষ্ককে পুরো প্লেটভর্তি খাবার নিতে ও খেতে অভ্যস্ত করে থাকে। তাই প্লেটের ব্যাপারে সচেতন হোন।






মন্তব্য চালু নেই