মেইন ম্যেনু

আপনার সম্পর্ক কতটা মজবুত?

যে কোনো সম্পর্ক তৈরি করা সহজ কিন্তু তা টিকিয়ে রাখা অনেক কষ্টকর। আপনি যদি মনে করেন যে কোন ভুলের জন্য ক্ষমা করে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে গেলে আপনার সম্পর্ক টিকে থাকবে, তাহলে নিচের প্রশ্নোত্তর এর সাথে আপনার সম্পর্ককে তুলনা করে দেখুন। তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার সম্পর্ক কতটা মজবুত।

১. আপনার আর আপনার সঙ্গীর মাঝে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকে। কিন্তু আপনাদের ঝগড়া যদি একে-অপরের বিরুদ্ধে না হয়ে যা নিয়ে লড়াই করছেন তার বিরুদ্ধে হয় তাহলে আপনাদের সম্পর্ক মজবুত। সারাদিন যত যুদ্ধই হোক আপনাদের মাঝে দিন শেষে জয় আপনাদের সম্পর্কের ই হবে। কারণ আপনাদের সম্পর্কের চেয়ে বড় কোন কিছু নেই।

২. আপনাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি কি? সম্পর্কের মূল ভিত্তি যদি বিশ্বাস হয়, তাহলে জনম-জন্মান্তরের সম্পর্ক আপনাদের। যে সম্পর্কে বিশ্বাস থাকে সে সম্পর্ক শত বাঁধা আসলেও ভেঙ্গে পরে না।

৩. দূরত্ব আপনাদের ভালবাসা আরও বেশি বৃদ্ধি করে। আপনার ভালবাসার মানুষ আপনার থেকে দূরে চলে গেলে যদি আপনি তাকে আরও বেশি ভালবাসতে শুরু করেন। তাহলে আপনাদের ভালবাসা সত্যি। কারণ মাঝে মাঝে দূরত্ব আরও বেশি কাছে নিয়ে আসে।

৪. আপনার একে-অপরকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যখন মএ হয় যে, আপনাদের এখন কথা বলতে হবে বা দেখা করতে হবে তখন আপনারা যেভাবেই হোক একে অপরের নিকটে চলে আসেন। আপনারা একে-অপরকে শ্রদ্ধা করেন এবং একজন আরেকজনের সকল কথা মেনে চলার চেষ্টা করেন।

৫. ভুলের জন্য ক্ষমা করে দেন? ক্ষমা হল সবচেয়ে বড় গুণ। যে সম্পর্কের মাঝে ক্ষমা থাকে সে সম্পর্ক কখনও ধ্বংস হয় না। আপনারা একে অন্যের ভুলের জন্য ক্ষমা করে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে নিজেরাই বুঝতে পারবেন যে আপনাদের সম্পর্কের গভীরতা বাকি সবকিছুর চেয়ে বেশি।

৬. আপনি কি মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনেন? যখন কোন কারণে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয় তখন কথা বলে সব ঠিক করে নেয়া যায়। কিন্তু আপনি যদি তার কথা না শুনে মনে মনে চিন্তা করেন সে প্রতিবারের মত বাহানা করবে তাহলে আপনাদের সম্পর্ক অবশ্যই সন্দিহানের তালিকায় পরে। তাকে বিশ্বাস করে অবশ্যই তার সম্পূর্ণ কথা শুনতে হবে।

৭. আপনারা কখনও একে-অপরকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেন না। যদি সত্যিই তাই হয় তাহলে আপনাদের ভালবাসার মাঝে কোন প্রবঞ্চনা নেই। কারণ আপনি যখন তাকে ভালবেসেছেন তখন তার এইসব স্বভাব থাকা সত্ত্বেও আপনি তাকে ভালবেসেছেন। তাই কখনও তাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। তবে খারাপ কোন অভ্যাস থাকলে অবশ্যই তা পরিহার করার জন্য অনুরোধ করতে পারেন।–সূত্র: ইন্ডিয়া টাইম্‌স।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই