মেইন ম্যেনু

আফগানদের কাছে ৬৬ রানে হেরে গেলো বিসিবি একাদশ

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশ। ২৩৪ রানের সাদামাটা লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬৭ রানে শেষ হয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। ফলে ৬৬ রানের বড় পরাজয়ের স্বাদ নিতে হলো তাদের। তবে এ ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ব্যাটিং। এক প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করে ৭৬ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংস উপহার দেন সদ্য ওয়ানডে দলে সুযোগ পাওয়া এ ব্যাটসম্যান।

আফগানিস্তানের দেওয়া ২৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বিসিবি একাদশ। দলীয় ৩৯ রানে প্রথমসারির চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলে তারা। অনেকটা দৃষ্টিকটুভাবেই আউট হয়ে বিদায় নেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস, এনামুল হক বিজয়, সাব্বির রহমান ও লিটন কুমার দাসের মত ব্যাটসম্যানরা।

মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান জাতীয় দলের স্কোয়াডে থাকা ইমরুল। জাতীয় দলের আরেক তারকা সাব্বির রহমান করেন মাত্র ৯ রান। তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে এক সঙ্গে খেলা দুই নবীন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মেহেদী হাসান মিরাজ দলের হাল ধরেন।

৫৬ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখালেও মিরাজের রানআউটে শেষ হয় সে স্বপ্ন। আউট হওয়ার আগে মিরাজ করেন ১৫ রান। এরপর শুভাগত হোমের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় দেখিয়েছিলেন সৈকত।

তবে দলীয় ১৫৪ রানে মোহাম্মদ নবীর বলে বোল্ড হয়ে তিনি সাজঘরে ফিরে গেলে কার্যত শেষ হয়ে যায় টাইগারদের আশা। শেষ দিকে শুভাগতর ৩৪ রান কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ৬১ বল বাকি থাকতে ১৬৭ রানে শেষ হয় বিসিবি একাদশের ইনিংস।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন মোসাদ্দেক। ৯৭ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। আফগানিস্তানের পক্ষে ২৪ রানে ৪টি উইকেট পান মোহাম্মদ নবি। এছাড়া রশিদ খান ও ফরিদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন।

এর আগে শুক্রবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে আফগানিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করে তারা। দুই ওপেনার নওরোজ মঙ্গল ও মোহাম্মদ শাহজাদ উদ্বোধনী জুটিতে ৩০ রান সংগ্রহ করেন। তবে দলীয় ৩০ রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে হঠাৎই চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। এরপর দলীয় ৪৭ রানে রহমত শাহর বিদায়ে সে চাপ আরও বৃদ্ধি হয়।

যদিও চতুর্থ উইকেট জুটিতে অধিনায়ক আসগর স্টানিকজাইকে নিয়ে সে চাপ সামলে নেন হাসমতুল্লাহ শাহিদি। ৬৩ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন এ দুই ব্যাটসম্যান। এরপর রশিদ খানকে নিয়ে ৪১ রানের আরও একটি ভালো জুটি গড়েন শাহিদি। শেষ দিকে মিরওয়াইজ আশরাফের ৩২ রান সত্ত্বেও সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রানের সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন শাহিদি। ৯৬ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এছাড়া মিরওয়াইজ ৩২, স্টানিকজাই ৩১ ও রাশিদ ৩০ রান করেন। বিসিবি একাদশের পক্ষে আট ওভার বল করে ৪৮ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ। আর ৩২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন আলাউদ্দিন বাবু। এছাড়া শুভাশীষ রায়, আবু হায়দার রনি ২টি করে উইকেট পান।






মন্তব্য চালু নেই