মেইন ম্যেনু

আফসানা হত্যা : ছাত্রলীগের রবিনসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকার মিরপুরের সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির স্থাপত্য বিদ্যার শেষ বর্ষের ছাত্রী আফসানা ফেরদৌস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তেজগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবিনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আফসানাকে আত্মহত্যায় সহায়তা ও লাশ গুমের চেষ্টার অপরাধে দণ্ডবিধি ৩০৬/২০১/৫১১ ধারায় তার (আফসানা) ভাই ফজলে রাব্বি বাদী হয়ে কাফরুল থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি গত ১১ অক্টোবর দায়ের করা হলেও রোববার (১৬ অক্টোবর) তা জানা যায়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- রবিনের বাবা আ. হাই, মশিউর রহমান, সিফাতুল হক সিফাত ও আশিকুল ইসলাম। তবে মামলায় তিনজন আটক রয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মামলার ভিকটিম আফসানার সঙ্গে রবিনের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের এফিডেভিটমূলে বিয়ে হয়। বিয়ের পর আফসানা কাবিনের জন্য চাপ দিলে তার কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে রবিন। এছাড়া আসামি রবিন আফসানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।

একপর্যায়ে রবিন বলেন, হয় আমার দাবি পূরণ করো, নয়তো গলায় দড়ি দিয়ে মরো।

এরই একপর্যায় গত ১৩ আগস্ট রাতে অপরিচিত মোবাইল ফোন থেকে কল দিয়ে আফসানার মাকে জানানো হয়, আফসানার মরদেহ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। এরপর আফসানার মা ঠাকুরগাঁও থেকে আত্মীয়স্বজনদের বিষয়টি জানালে আফসানার মামা ও অন্য স্বজনরা দ্রুত ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে তারা মরদেহ দেখতে পাননি।

পরে আবারো একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে জানানো হয়, আফসানার মরদেহ মিরপুরের আল-হেলাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে। সবাই সেখানে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ নামে একটি মরদেহ কাফরুল থানায় রয়েছে। এরপর কাফরুল থানা থেকে আফসানার ছবি দেখালে থানায় ডিউটিরত পুলিশ জানায়, এমন চেহারার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পরে রাত ৩টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে আফসানার মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা।






মন্তব্য চালু নেই