মেইন ম্যেনু

আবারও হ্যাকিংয়ের শিকার সুইফটের গ্রাহকরা

বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন (সুইফট) নতুন করে আরো কয়েকটি ব্যাংকের হ্যাকিংয়ের তথ্য প্রকাশ করেছে। সদস্যদের প্রতি সুইফট কর্তৃপক্ষের লেখা ব্যক্তিগত চিঠির বরাত দিয়ে বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সুইফট মেসেজিং সিস্টেমের মাধ্যমে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লোপাট হয়। হ্যাকিংয়ের এই ঘটনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুইফটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুঁত নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়। ওই সময় সংস্থাটি এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিল। উপরন্তু নিজেদের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছিলেন সুইফটের নির্বাহী প্রধান লেইব্রান্ডট।

চিঠিতে সুইফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর গ্রাহকদের তথ্য ও নিরাপত্তাব্যবস্থা আপডেট শুরু করা হয়। এরপর গত জুন থেকে নতুন করে সাইবার হামলার তথ্য আসতে শুরু করে। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি হামলা সফলও হয়েছে। নতুন করে এ হামলায় কয়েকটি গ্রাহক ব্যাংকের অর্থ চুরিও হয়েছে। তবে ঠিক কী পরিমাণ অর্থ লোপাট হয়েছে কিংবা কয়টি হামলা সফলভাবে চালাতে সক্ষম হয়েছে হ্যাকাররা- এ ব্যাপারে সুইফট কিছুই জানায়নি। এ ছাড়া হামলার শিকার গ্রাহকদের নামও প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।

তবে ব্রাসেলসভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ব্যাংকের আকার ও ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া সুইফট মেসেজিং সিস্টেমে প্রবেশ করতে হ্যাকাররা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।

চিঠিতে সুইফট দাবি করেছে, গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশনা দিয়ে একাধিকবার ভুয়া বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ‘হামলার হুমকি দৃঢ়, অভিযোজিত ও স্পর্শকাতর, যা এখনো বিদ্যমান আছে।’

ওই চিঠিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সুইফটের সঙ্গে অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থায় যেসব ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা রয়েছে, সেই সব ব্যাংকই এবারের হামলার শিকার হয়েছে।

চিঠির বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে সুইফটের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ওই মুখপাত্র চিঠিতে উল্লেখিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট গ্রাহকদের বিষয়ে কোনো তথ্য নিয়ে সুইফট আলোচনা করে না।






মন্তব্য চালু নেই