মেইন ম্যেনু

আব্রাহাম লিঙ্কনের অজানা কিছু তথ্য

আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে মহান ব্যক্তিত্ব আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট। তিনি দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘটান এবং আমেরিকার সহিংস গৃহ যুদ্ধের ও অবসান ঘটান। কিন্তু ১৮৬৫ সালের ১৪ এপ্রিলে জন উইল্কেস বুথ নামক ব্যক্তির গুলিতে মারা যান ফোরড থিয়েটারে “দ্যা আমেরিকান কাজিন” নামের কমেডি সিনেমাটি দেখার সময়ে। আসুন জেনে নেই আব্রাহাম লিঙ্কনের আরো কিছু অজানা তথ্য।

১। লিঙ্কনের গোপন পকেট
আব্রাহাম লিঙ্কন লম্বা পাইপের মত হ্যাট পড়তেন যেখানে তিনি চিঠিপত্র, বিল ও বিভিন্ন নোট রাখতেন। তিনি তার পকেট ব্যবহার না করে এই সোজা ও লম্বা হ্যাটটিই বেশি ব্যবহার করতেন।

২। লিঙ্কনের উচ্চতা
আব্রাহাম লিঙ্কনকে শুধুমাত্র হ্যাটের জন্যই ল্পম্বা দেখাত এমনটা নয় তিনি ছিলেন তখনকার সময়ের আমেরিকার সবচেয়ে লম্বা প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর উচ্চতা ছিলো ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি।

৩। তাঁর কোন উত্তরাধিকারী নেই
আব্রাহাম লিঙ্কন ও তাঁর স্ত্রী মেরী টোড লিঙ্কনের চার পুত্র জন্মগ্রহণ করেছিলো। ২০ বছর বয়সের আগেই তাঁর ৩ পুত্র মারা যান। এডওয়ার্ড ৪ বছর বয়সে, উইলিয়াম ১২ বছর বয়সে এবং টেড ১৮ বছর বয়সে মারা যায়। শুধুমাত্র রবার্ট পূর্ণবয়স্ক হয়েছিলেন।

৪। তিনি যন্ত্র ভালোবাসতেন
তিনি খুব কৌতূহলী ছিলেন। তিনি কোন মেশিনকে ধরলে সেটিকে টুকরো টুকরো করে দেখতেন এর ভেতরে কি আছে। তিনি সেই জিনিষটার মুলে যেতে চাইতেন যে এটি কিভাবে কাজ করে? তিনি নতুন জিনিষ উদ্ভাবন করতে চেষ্টা করতেন। তিনি একটি বোইং জাহাজের প্যাটেন্ট তৈরি করেছিলেন।

৫। লিঙ্কনের অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা ছিলো
তিনি জানতেন তাঁর মৃত্যুর সপ্তাহখানিক আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে মৃত্যু সন্নিকটে। তিনি স্বপ্নে তাঁর মৃত্যুর পূর্বাভাস পাওয়ার পর মনমরা হয়ে থাকতেন। তাঁর স্বপ্নটি ছিলো এমন যে, একটি অনুষ্ঠানে তিনি হোয়াইট হাউজের দূরবর্তী কক্ষে কান্নার শব্দ শুনতে পান। তিনি সেই কক্ষে যেয়ে কান্নারত ব্যক্তিকে চিৎকার করে জিজ্ঞেস করেন কি হয়েছে? কান্নারত সেই লোকটি তাঁকে বলেন প্রেসিডেন্ট মারা গেছেন। লিঙ্কন সেই কক্ষে একটি কফিন দেখতে পান এবং সেটির কাছে গিয়ে তিনি সেখানে তাঁর নিজের শরীর দেখতে পান।

৬। তিনি রেসলিং পছন্দ করতেন
তিনি তরুণ বয়সে রেসলিং করতেন। তিনি ৩০০ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে পরাজিত হয়েছিলেন। ন্যাশনাল রেসলিং হল অফ ফেম তাঁকে “আউটস্ট্যান্ডিং আমেরিকান” নামে সম্মানিত করে।

আরো তথ্য : আমেরিকার সিক্রেট সার্ভিসের আইন প্রণয়নের জন্য তিনি সাক্ষর প্রদান করেন তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে, তিনি সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত, আন্তরিক ও নম্র বক্তৃতা দিতেন, লিঙ্কনের পুত্র রবার্টকে লিঙ্কনের খুনি বুথ এর ভাই একটি দুর্ঘটনা থেকে বাঁচিয়েছিলেন, লিঙ্কন ও কেনেডির মধ্যে কিছু অদ্ভুত মিল ছিলো যেমন- লিঙ্কন ১৮৪৬ সালে কংগ্রেসে নির্বাচিত হন আর কেনেডি ১৯৪৬ সালে নির্বাচিত হন, উভয়েই মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং সেইদিন ছিলো শুক্রবার, লিঙ্কনের উত্তরাধিকারী ১৮০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বিশ্বাস করুন আর নাই করুন কেনেডির উত্তরাধিকারী জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৮ সালে।






মন্তব্য চালু নেই