মেইন ম্যেনু

‘আমাকে ডেকে এনে কেন এই অপমান?’

বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে না হয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনার আয়োজন করায় ক্ষুদ্ধ হন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগ নেতাকর্মী স্লোগান না দেওয়ায় ও বক্তব্যের সময় সিটে বসা নিয়ে দুই কর্মীর বাকবিতণ্ডার কারণে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেই ফেলেন, ‘আমাকে ডেকে এনে কেন এই অপমান?’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের নয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী। কমিউনিটির পক্ষ থেকে না দিয়ে কেন আমাকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে।’

এ সময় মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজা ভুল স্বীকার করে ফের বক্তব্যের অনুরোধ করলে মন্ত্রী বক্তব্য দেন।

দলের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের পাশাপাশি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মালয়েশিয়া শাখা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিরক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

কুয়ালালামপুরের গ্র্যান্ড সিজনস হোটেলের বলরুমে শনিবার সন্ধ্যায় আলোচনা অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনার আয়োজন করে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় যাতে বেশি লোক পাঠানো যায় সে জন্য আমি চেষ্টা করছি। জিটুজি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতি ছিল মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। আর এখন বিটুবিও (বিজনেস টু বিজনেস) মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্তেই। এখন তারাই সিদ্ধান্ত নেবে কিভাবে তারা লোক আনবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৮ সালে বাংলাদেশে যখন মন্দা চলছিল তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে শ্রমবাজারের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধ করেছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশী হাই কমিশনার মোহাম্মাদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাই কমিশনের বিরুদ্ধে আপনাদের অনেক অভিযোগ আছে, যার ৯০ ভাগ সত্য। তবে আমি চাই দেশের স্বার্থে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে।’

মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল চৌধুরী ও মোস্তফা তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অহিদুর রহমান অহিদ, মকবুল হোসেন মুকুল, কামরুজ্জামান কামাল, মাহতাব খন্দকার, রাশেদ বাদল, যুবলীগের আহ্বায়ক তাসকির আহমেদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মানসুর আল বাশার সোহেল, শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক সোহেল বিন রানা, যুগ্ন-আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, যুগ্ন-আহ্বায়ক ওয়াসিম ওয়াজেদসহ অনেকে।






মন্তব্য চালু নেই