মেইন ম্যেনু

আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধের সময় আমি আমেরিকায় ছিলাম। সেখানে মুক্তিযোদ্ধের পক্ষে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এছাড়া সে সময় আমেরিকায় মুক্তিযোদ্ধের পক্ষে ৩৬টি সংগঠন গড়ে ওঠেছিল। আমি প্রত্যেকটা সংগঠনে গিয়ে বক্তব্য দিতাম। বক্তৃতায় বলতাম- আমরা জিততে যাচ্ছি। সেই সময় আমেরিকায় মুক্তিযোদ্ধের পক্ষে কাজ করেছি বলে সেই হিসেবে বলতে পারি আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্র’ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন। সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরাম অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, ‘আমি একজনের (বঙ্গবন্ধুর) ডাকে মুক্তিযোদ্ধে অংশ নিয়েছি। একটি বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধে অংশ নিয়েছি। আর তা হলো: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এরপরই আমি আমেরিকার ওয়াশিংটনের ম্যরিল্যান্ডের ৫০০৬ এনমুন লেনের নিজের বাড়িতে বাংলাদেশের তথ্য সেন্টার খুলেছি।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ ডিসেম্বর মাসে আমাদের বিজয়ের মাস। এ মাসে আনন্দ যেমন আছে তেমনি বেদনাও আছে। এ মাসের ১৪ তারিখ আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানিরা আমাদের দেশের বেজন্মা জামায়াতের সহযোগিতায় এসব বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। সে সময় আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করা হয়।’

সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরাম বঙ্গবন্ধুর ওপর চলচ্চিত্র নির্মাণে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার দাবির প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুনেছি, মার্কিন ফিল্ম মেকিংয়ের একটি প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধুর ওপর ছবি নির্মাণে আগ্রহ জানিয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কিনা আমি এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে তারা শিগগিরই সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাংলাদেশে আসবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর বলেন, ‘চলচ্চিত্র শক্তিশালী গণমাধ্যম। কিন্তু দেশে যে হারে সিনেমা হল বন্ধ করে বাণিজ্যিক ভবন করা হয়েছে তাতে চলচ্চিত্র নির্মাণ করার চেয়ে সম্প্রচার করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

তাই সিনেমা হলগুলো কীভাবে রক্ষা করা যায় সেদিকে চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের গবেষণা করার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ওপর চলচ্চিত্র বানানোর পূর্বে পরিকল্পনা করা উচিৎ কাকে দিয়ে এতো মহান ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করানো হবে। আর এটা খুবই কঠিন কাজ।’ একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ওপর চলচ্চিত্র নির্মাণে ভালো পরিচালক নেয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেদুয়ান খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নূরুল ইসলাম, শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক শফি কামাল উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই