মেইন ম্যেনু

আমি অবৈধ সন্তান, আমার মা বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে সহবাস করে

সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রের নোট পেয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ হতভম্ব। সে লিখেছে, ‘আমার মা ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের মতো। তারই মতো বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে সহবাস করে।’দিল্লির একটি নামি বেসরকারি স্কুলের পড়ে ওই ছাত্র। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, ছেলেটির বাবা-মাকে খবর দেয়া, তার কাউন্সেলিং শুরু করা এবং যথাযথ পদক্ষেপ সবই গ্রহণ করা হয়েছে।কিন্তু এই ঘটনা সাংবদিকতায় সংবেদনশীলতার অভাবের প্রশ্নটিকে আবারো সামনে এনেছে। শিশু অধিকার কর্মী ও আইনজীবীরা প্রশ্ন তুলছেন, ২৪ ঘণ্টা নানা মুখরোচক খবর পরিবেশনের চক্করে কচি মস্তিষ্কে অতিরিক্ত তথ্যের ভার পড়ে আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে না তো?

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে এক টিভি রিয়েলিটি শো’র সাবেক প্রধান নির্বাহীর স্ত্রী ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় নিজের সুখস্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে আগের ঘরের মেয়েকে খুন করেছেন। এ খবর এখন ভারতজুড়ে আলোচিত হচ্ছে। খুন হওয়া শিনা বোরার উদ্ধারকৃত ডায়েরিতে দেখা যাচ্ছে, তার মা ইন্দ্রাণী লোভী এবং একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক করে।দিল্লির ওই স্কুলে ক্লাস চলাকালীন অনেক শিশুই নিজেদের মধ্যে হাতে লিখে নোট চালাচালি করে কথা বলে, তেমনটা করতে দেখেই সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রের কাছ থেকে নোটটি নিয়েছিলেন ক্লাস টিচার। কিন্তু নোটের বিষয়বস্তু দেখে তিনি থ!

তাতে লেখা, ‘আমি অবৈধ সন্তান। আমার মা ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের মতো বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে ভালোবাসে।’স্কুলটির পক্ষ থেকে খুব বেশি কিছু বলতে চাওয়া হয়নি। তবে শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনেকেই তুলে ধরেছেন তাদের সমস্যার কথা। অধিকাংশ স্কুলেই শিশুদের খবরের কাগজ পড়তে উত্সাহিত করা হয় যাতে তাদের সাধারণ জ্ঞান বাড়ে। কিন্তু যদি পত্রিকার পাতাজুড়ে শুধুই এক নারীর ব্যক্তিগত জীবনের খুঁটিনাটি ‘রসালো’ করে উপস্থাপন করা হয়, তাতে শিশুরা অসুস্থ মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠবে বলেই মনে করেন তারা।

দিল্লির স্কুলের ঘটনাটি অবশ্য বিচ্ছিন্ন নয়। কিছু দিন আগেই এক স্কুলে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে লক্ষ্য করে এক ছাত্র জামা খুলে নিজের যৌনাঙ্গ প্রদর্শন করতে গিয়ে ধরা পড়ে। পরে ছাত্রী জানায়, এরকম ঘটনা তার সাথে আগেও বহুবার ঘটেছে। এর ক’দিন আগেই একটি নামিদামি বেসরকারি স্কুলের এক ছাত্র ও এক ছাত্রী ফাঁকা ক্লাসরুমে সঙ্গম করতে গিয়ে ধরা পড়ে।সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে এখন প্রথম যৌন অভিজ্ঞতার গড় বয়স এসে দাঁড়িয়েছে ১৪ বছরে!



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই