মেইন ম্যেনু

আমি বুঝি না, রান্না করি শুনে সবাই অবাক হয় কেন?

‘আমি বুঝি না। আমি রান্না করি শুনে সবাই অবাক হয় কেন? আমার রান্না করলে ছেলে-মেয়েরা পছন্দ করে। তাই আমি রান্না করি। প্রত্যেক মা-ই তাই করেন’বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশেরে স্বামী-স্ত্রী দু’জন চাকরি করলে, স্বামী ঘরে এসে বলেন, উফ ভীষণ ক্লান্ত! এককাপ চা দাও তো! এরপর নারীকে সন্তানের যত্নআত্মি করতে হয়। অথচ নারীরাও ক্লান্ত থাকেন। এই অবস্থায় পুরুষরাও কিন্তু তার স্ত্রীর কাজে সহায়তা করতে পারেন। খাওয়া-দাওয়ার পর টেবিল সাফসুতোরো করতে পারেন। নারী-পুরুষ ভাগাভাগি করে নিলে সব কাজই সুন্দর হবে।

‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি এসব শিখেছি আমার ছেলের কাছ থেকে। সে তার স্ত্রী দু’জনই কাজ করেন। কিন্তু বাসায়ও দু’জন কাজ ভাগ করে নেন। কাজেই কাজ পারি না, বললে হবে না, শিখে নিতে হবে। স্ত্রীকে সহায়তা করতে হবে।

নাতিদের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমার নাতিরাও আমার কাছে আবদার করে। সেদিন নাতি বললো, আমি ভাত খাবো না, পোলাও খাবো। তোমার হাতের রান্না খাবো, আর আমি রান্না করতেই বাধ্য হলাম।’

তিনি বলেন, আমাদের সমাজ পুরুষ শাসিত। তাই পুরুষরা দ্রুত টায়ার্ড হয়ে পড়েন। কাজেই আর টায়ার্ড হবেন না বলে আশা করি। তারাও নারীদের কাজে সহযোগিতা করবেন।

খেলাধুলায় নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলায় নারীদের আগ্রহী করতে আমরা নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। বর্তমানে ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, টেনিসসহ বিভিন্ন খেলায় বাংলাদেশের মেয়েরা অংশ নিচ্ছে এবং তারা বেশ ভালোও করছে।

তিনি বলেন, ভাবা হতো, নারীরা পুরুষের মতো উচ্চ পদে এসব কাজে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে না। কিন্তু এসব পদে মেয়েদের নিয়োগের ব্যবস্থা করেছি। তারা প্রমাণ করেছেন, তারাও পারেন। আমি বিশ্বাস করি নারীদের অগ্রগতি ছাড়া রাষ্ট্রের উন্নতি সম্ভব নয়, তাই আমরা নারীদের উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছি।

ইসলামে নারীর মর্যাদা সমুন্নত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আজ সব ক্ষেত্রে নারীরা তাদের অর্জন নিশ্চিত করছে। তিনি বলেন, নারীদের এই এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।






মন্তব্য চালু নেই