মেইন ম্যেনু

আর ল্যাম্পপোস্ট লাগবে না, আলো দেবে রাস্তার সিমেন্টই!

সন্ধ্যা ঘনালেই অন্ধকার নেমে আসে রাজধানী ঢাকায়। তখন অনেকটা অচল ও অনিরাপদ হয়ে ওঠে রাস্তা আর অলিগলি। অথচ দুই কোটি মানুষের এই আবাসভূমিকে আলোকোজ্জ্বল, সচল ও নিরাপদ রাখতে রয়েছে দুটি সিটি করপোরেশন। বেলা ডুবলেই জ্বলে ওঠার কথা শহরের ল্যাম্পপোস্টগুলো। আলো জ্বালিয়ে অন্ধকারের ভয় তাড়ানোর কথা সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তদের। কিন্তু আলোতো জ্বলে না। ল্যাম্পপোস্টগুলো দাঁড়িয়ে থাকে মৃত। অন্ধকারে রাজত্ব বাড়ে দুর্বৃত্তদের। এটা ঢাকার নিত্য সঙ্গী।

তবে রাতে আর কোনো নগরী অন্ধকার থাকবে না। রাস্তার ধারে সাজানো ল্যাম্পপোস্ট, সেগুলোরও দিন প্রায় শেষ হতে চলেছে। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মেক্সিকোর মিচোয়াকান ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি তারা এমন এক ধরনের সিমেন্ট আবিষ্কার করেছে, যা থেকে আলো বিকিরিত হয়। আলো ছড়ানো এ সিমেন্ট পরীক্ষামূলকভাবে রাস্তা তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। প্রাথমিকভাবে শুধু নীল ও সবুজ রং নির্গত করে এ বিশেষ সিমেন্ট। এ সিমেন্ট নাকি কমপক্ষে ১০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হবে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, দিনের বেলায় সূর্যের আলো শোষণ করবে এ সিমেন্ট। সূর্যাস্তের পর সেই আলোকেই ফিরিয়ে দেবে। এমনকি আলোর মাত্রা নিয়ন্ত্রণও করা যাবে।

বিজ্ঞানী দলের একজন ড. জোস কার্লোস রুবিও। তিনি জানিয়েছেন, সিমেন্ট তৈরির সময় তা প্রাথমিকভাবে আঠার মতো পদার্থে রূপান্তরিত হয়। সেসময় তার ভিতরে ক্রিস্টল জাতীয় কিছু কণা থাকে। সেই কণাগুলোকে পৃথক করে দিলে আঠার মতো জেল পদার্থটিকে ধরে রেখে সিমেন্ট তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে ওই জেল জাতীয় পদার্থ সূর্যের আলো শোষণ করে তা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ধরে রাখতে পারবে এবং প্রয়োজনমতো নির্গত করতে পারবে।

ড. রুবিও জানান, ৯ বছর আগে প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছিলেন তারা। এ আবিষ্কারের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে। কারণ তারা পৃথিবীকে এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যাচ্ছেন।






মন্তব্য চালু নেই