মেইন ম্যেনু

আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড শুনানি পিছিয়েছে

নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা তিন মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড শুনানির তারিখ পিছিয়েছেন আদালত।

সোমবার তিন মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রিমান্ড শুনানি বিষয়ে উচ্চ আদালতে শুনানি মুলতবি থাকায় আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া পৃথক আদালতে তিন মামলায়ই রিমান্ড শুনানি পেছানোর আবেদন করেন।

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন রিমান্ড শুনানির জন্য আগামীকাল ৩১ মে এবং মতিঝিল ও লালবাগ থানার নাশকতার মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবী এবং মাজহারুল ইসলাম রিমান্ড শুনানির জন্য ৬ জুন ধার্য করেছেন।

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গত ২৭ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফজলুল হক ঢাকা সিএমএম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত আজ রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসলাম চৌধুরী গত ৫ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ভারতে অবস্থানকালে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাতের জন্য বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বহির্ভূত রাষ্ট্র ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। যার কিছু ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। উক্ত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আসামিরা সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাতের জন্য দেশে সন্ত্রাস, নাশকতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা দেশে অখ-তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি স্বরূপ এবং রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

অপরদিকে, গত ২৪ মে আসলাম চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে মতিঝিল ও লালবাগ থানায় করা নাশকতার দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। মতিঝিল থানার ৬(১)১৫ নম্বর নাশকতার মামলায় ডিবি পুলিশের এসআই আনোয়ার হোসেন এবং লালবাগ থানার ৫(১)১৫ নম্বর নাশকতার মামলায় ডিবি পুলিশের এসআই এমামুল ইসলাম এই আবেদন করেন।

ওইদিন শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ ও মারুফ হোসেন তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আদালত আজ ৩০ মে এই দুই মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

২০১৫ সালে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির ডাকে হরতাল-অবরোধে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল ও লালবাগ থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে পুলিশ আসলামকে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।






মন্তব্য চালু নেই