মেইন ম্যেনু

আসিফের ছোটবেলার সেই সুন্নতে খৎনা হওয়ার গল্প

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর এবার জানালেন তার সুন্নতে খৎনা হওয়ার গল্প। ছোটবেলার সেই গল্প বেশ মজা করেই তার ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে সবার সাথে শেয়ার করলেন। আর শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে আসিফের ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসটি আওয়ার নিউজ বিডি’র পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

একবছর ধরে আমার বড় ভাই আনিস আকবর এবং উল্টো দিকের ওয়াপদা কলোনীর কামাল মামা চেষ্টা করছিলেন আমাকে পাকড়াও করার জন্য, উপলক্ষ্য সুন্নতে খৎনা । যিনি এই কর্মটি সম্পাদন করে থাকেন উনাকে হাজেম বলা হয়। আমি হাজেম দেখলেই তিন তলার ছাদে উঠে পানির ট্যাঙ্কির পাইপ বেয়ে নীচে নেমে পুরাতন চৌধুরী পাড়ার দিকে পালিয়ে যেতাম।

কিন্তু ৮২ সালে হাজেম এবং ভাইয়া বাসার সামনের দিক দিয়ে ঢুকলেও কামাল মামা ছিলেন ঐ পাইপের নীচে,আমি ধরা পড়ে গেলাম। আমাকে চ্যাংদোলা করে ধরে নিয়ে এসে সুন্নতে খৎনা করিয়ে দিলো, তখন পড়ি ক্লাস ফোরে। আমার ছোট ভাই আতিক আকবর পড়তো ক্লাস টুতে। সে জন্ম থেকেই কর্পোরেট প্রকৃতির লোক,তাকে ধরার প্রয়োজন ছিলোনা। আমাদের দুজনের একসাথে সুন্নতে খৎনা হয়ে গেলো।

আতিক দ্রুত সুস্থ্য হয়ে গেলেও চার দিনের মাথায় সাতচারা খেলতে গিয়ে আবার ইনজুরিতে পড়ে যাই। আমি আবারো বিছানায়, ছোট ভাই খেলছে। কয়েকদিন পর পাগড়ী পড়িয়ে ষ্টুডিওতে নিয়ে আব্বা আমাদের ফটোসেশন করিয়ে আনলেন। ২০০২ সালে রণ-রুদ্র’র একসাথে সুন্নতে খৎনা হয়ে গেলো, আমি ঐ সময় চলে গেলাম মুম্বাই রেকর্ডিং করতে। কারন ছেলেদের ইনজুরীর ব্যাপারে আমি খুবই ভীতু প্রকৃতির বাবা,তাই পালিয়ে গেলাম। আমার বউ পুরো ব্যাপারটা সাহসের সাথে ম্যানেজ করলো । যথারীতি রণ রুদ্র’র ফটোসেশন করালেন আম্মা।

এগুলো আসলে নিয়মিত ঘটনা। পাড়ার খালা চাচী সহ মুরুব্বীরা আমাদের দেখতে আসতেন । আমরা বিছানায় শুয়ে নারিকেলের ছোবা আর কয়লার শেক নেই, ওনারা করতেন পরিদর্শন, আমরা হতাম বিব্রত । এই ব্যাপারটা আত্মসম্মানে লেগেছে শুরু থেকেই,তাই এখনো ভুলতে পারিনি। আজ শুক্রবার বন্ধের দিন, তাই একটু আলতু মিয়ার ফালতু বয়ান দিলাম।






মন্তব্য চালু নেই