মেইন ম্যেনু

‘আ.লীগের সমাবেশের কারণেই ভাই লাশ হইছে’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সমাবেশ ঘিরে রাস্তায় তীব্র যানজটে যথাসময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পারায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে অ্যাডভোকেট এনামুল হক ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি রাজধানীর টিকাটুলির ৪/৩ আরকে মিশন রোড় বাস করতেন। অপর রোগীর নাম আব্দুল্লাহ। পেশায় পান ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের মুলাদী উপজেলার চরকালেখা গ্রামে।

অ্যাডভোকেট এনামুল হকের স্ত্রী নিলুফা হক বলেন, দুপুরে বাসায় হঠাৎ করে তার স্বামী অচেতন হয়ে পড়েন। একটি সিএনজি করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলের উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু বাসা থেকে সামান্য পথ অতিক্রম করেই যানজটে পড়েন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও যানজট না ছাড়ায় রিকশা করে রওনা দেই। বিকেলে সোয়া ৫টায় ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছান। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এনামুল হকের মেয়ে আয়েশা হেলেন অভিযোগ করে বলেন, ‘এই সমাবেশের কারণেই আমার বাবাকে যথাসময়ে হাসপাতালে আনতে পারি নাই। আমার বাবার মৃত্যুর দায় ভার কে নিবে?’

আয়েশা জানান, তারা তিন বোন এবং এক ভাই। বাবা ঢাকা জজ কোটের আইনজীবী।

অপরদিকে রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডে লেগুনার ধাক্কায় রিকশা আরেহী পান ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ (২৫) গুরুতর আহত হন। আবদুল্লাহর চাচাতো ভাই মাহফুজ বলেন, ‘আজ দুপুরে রিকশাযোগে আমি এবং আবদুল্লাহ শ্যামলী থেকে আদাবর ১৬ নম্বর যাওয়ার পথে শ্যামলী রিং রোড এলাকায় একটি লেগুনা ধাক্কা দিলে আব্দুল্লাহ আহত হয়। তাকে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে দুপুর দেড়টায় ঢাকা মেডিকেলের উদ্দেশে রওনা দেই। কিন্তু রাস্তায় জানজটের কারণে বিকেল সাড়ে ৪টায় হাসপাতালে পৌঁছাই। তাকে দেখে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করে।’

মাহফুজ অভিযোগ করে বলেন, ‘সমাবেশের কারণেই রাস্তায় এতো যানজট লেগেছে। এই সমাবেশের কারণে আমার ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে দেরি হইছে, ভাই লাশ হইছে।’






মন্তব্য চালু নেই